কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের আমজাদের বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কাজী ইউসুফ হোসেন (৪৫) ওই ইউনিয়নের কনকাপৈত গ্রামের বাসিন্দা।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসেন মৃত্যুর বিষয়টি দ্য ডেইলি স্টারকে নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার কনকাপৈত স্কুল মাঠে ট্রাক্টর থেকে বালু ওঠানো-নামানো নিয়ে ইউসুফের সঙ্গে আমজাদের বাজারের ফারিহা এন্টারপ্রাইজের এক ট্রাক্টরচালকের বাগবিতণ্ডা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবুল কালাম আজাদ। এ সময় ইউসুফকে আমজাদের বাজার এলাকায় যেতে নিষেধ করে হুমকি দেন আবুল কালাম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আজ সকালে ইউসুফ আমজাদের বাজারে গেলে আবুল কালামের নেতৃত্বে একদল লোক হামলা চালায়। মারধরে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ইউসুফ। পরে স্বজনরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী ডেইলি স্টারকে বলেন, ইউসুফকে জরুরি বিভাগে আনার পর তার অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লায় পাঠানো হয়।
ঘটনার পর থেকে আবুল কালাম আজাদ ও তার সহযোগীরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন ডেইলি স্টারকে বলেন, ইউসুফ আমাদের দলের কর্মী ছিলেন। প্রকাশ্যে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বলেন, পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
