ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে জাতিগত নিধনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।
এ অভিযানে ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ, বাড়িঘর ও বাণিজ্যিক স্থাপনা ধ্বংস এবং চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের মতো গুরুতর ঘটনাসমূহকে অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কাতারভিত্তিক বার্তাসংস্থা আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানা যায়।
এক বিবৃতিতে ভলকার তুর্ক জানান, গত শুক্রবার শুরু হওয়া এ অভিযানে দুই হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাশাপাশি তাদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং বাসিন্দাদের চলাচলের স্বাধীনতা কঠোরভাবে সীমিত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের নেওয়া পদক্ষেপগুলো অপ্রয়োজনীয় ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ শক্তি প্রয়োগের গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে। এসব পদক্ষেপ অতি দ্রুত বন্ধ করতে হবে।
ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের উল্লেখ করে তুর্ক আরও বলেন, এসব পদক্ষেপকে ফিলিস্তিনিদের শাস্তি দেওয়া এবং তাদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সমষ্টিগত শাস্তি আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন। পুরো আবাসিক এলাকা খালি করে দেওয়া ও নিশ্চিহ্ন করার হুমকিও জাতিগত নিধনের গুরুতর আশঙ্কা তৈরি করছে।
ভলকার তুর্ক বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে বেআইনি উচ্ছেদ ও বাড়িঘর ধ্বংসের জন্য ক্ষতিপূরণ এবং যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
