আজকাল ওয়েবডেস্ক: গাইঘাটায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ধৃত বছর তেইশের যুবক প্রহ্লাদ দাস পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত। দু’দিন আগেই স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন ও খুনের অভিযোগে মৃতারই এক আত্মীয় প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেপ্তার করেছিল গাইঘাটা থানার পুলিশ।
সূত্রের খবর, ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রহ্লাদ দাসকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই প্রহ্লাদ পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে হামলার চেষ্টা করে। পাল্টা পুলিশের এনকাউন্টারে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় ধৃতের।
এরপর নিহত যুবকের দেহ নিয়ে যাওয়া হয় চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
গাইঘাটা থানা এলাকা থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সকালে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করে মেয়েটির পরিবার। পরে প্রহ্লাদ দাস-কে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নেওয়া হয়। জানা গিয়েছে যে, প্রহ্লাদ নির্যাতিতারই আত্মীয়।
উল্লেখ্য, মাস কয়েক আগেই বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ-খুন মামলায় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছিল এক অভিযুক্তর। পুলিশ জানিয়েছিল, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিল সেই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল। এমনকি অভিযুক্ত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল বলেও অভিযোগ। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাতেই মৃত্যু হয় ধৃত প্রভাসের।
