AI ভয়েস ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে সাইবার জালিয়াতিছবি: AI নির্মিত
Published on
:
2 min read
ফোনের ওপারে পরিচিত কারও কণ্ঠস্বর। তিনি বলছেন, বিপদে পড়েছেন, এখনই টাকা পাঠাতে হবে। আর তাতেই আপনি তাড়াহুড়ো করে টাকা পাঠিয়ে দিলেন। পরে বুঝলেন, সবটাই ছিল প্রতারণা। AI প্রযুক্তির সাহায্যে এ ভাবেই বাড়ছে ভয়েস ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে সাইবার জালিয়াতি। আর শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।
কী ভাবে প্রতারণার ফাঁদ পাতেন সাইবার অপরাধীরা?
AI ব্যবহার করে পরিচিত মানুষের কণ্ঠস্বর নকল করে ফোন করেন প্রতারকেরা। দুর্ঘটনা, হাসপাতালের জরুরি পরিস্থিতি বা পুলিশের মামলার মতো নানা বিপদের গল্প শোনানো হয়। দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য চাপ দেওয়া হয়, যাতে যাচাই করার সুযোগ না থাকে। সামাজিক মাধ্যমের ভিডিয়ো, রিল বা প্রকাশ্যে থাকা অডিয়ো থেকেও কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করে তা নকল করা হতে পারে।
কী ভাবে চিনবেন ভুয়ো ফোন?
পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনেই কাউকে বিশ্বাস করবেন না। আচমকা টাকা চাওয়া হলে কিছুক্ষণ সময় নিন। ফোন কেটে পরিচিত ব্যক্তির সেভ করা নম্বরে নিজে ফোন করে ঘটনার সত্যতা যাচাই করুন। প্রয়োজনে এমন কোনও ব্যক্তিগত প্রশ্ন করুন, যার উত্তর শুধু আসল মানুষটিই জানেন। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আগে থেকেই একটি গোপন কোডও ঠিক করে রাখা যেতে পারে।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে কী করবেন?
তাড়াহুড়ো করে টাকা পাঠাবেন না।
ফোনে কাউকে OTP, UPI PIN, ব্যাঙ্কের তথ্য বা পাসওয়ার্ড জানাবেন না।
বিপদের কথা বলে গোপনীয়তা বজায় রাখতে বললে সতর্ক হন।
পরিবারের বয়স্ক সদস্যদেরও এই প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন করুন।
প্রতারণার শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করবেন?
সন্দেহজনক ফোন বা মেসেজ এলে দ্রুত সঞ্চার সাথী পোর্টালের ‘চক্ষু’ বিভাগে অভিযোগ জানান। টাকা খোয়া গেলে দ্রুত ১৯৩০ নম্বরে ফোন করুন এবং ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম রিপোর্টিং পোর্টালে অভিযোগ দায়ের করুন। দ্রুত পদক্ষেপ করলে টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা বাড়তে পারে।
