দেশে প্রথমবারের মতো নিজেদের মাইক্রোওয়েভ ওভেন আনল হায়ার বাংলাদেশ
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নতুন প্রিমিয়াম টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটার এবং দেশে প্রথমবারের মতো নিজেদের মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সিরিজ বাজারে এনেছে হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড।
সম্প্রতি ঢাকার গুলশানে হায়ারের ফ্ল্যাগশিপ স্টোরে পণ্যগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
নতুন এই সিরিজ দেশের বাজারে হায়ারের পণ্যতালিকায় সর্বশেষ সংযোজন। স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পণ্যের পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় পরিবারের জন্য আরও নিরাপদ, স্মার্ট ও সুবিধাজনক গৃহস্থালি সমাধান দেওয়ার লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
‘শকপ্রুফ ওয়াটার হিটার, সেফ অ্যাজ আনপ্লাগড’ ধারণাকে সামনে রেখে তৈরি টাইগ্রিস সিরিজের ওয়াটার হিটারে রয়েছে উন্নত হিটিং প্রযুক্তি ও সুপার টাইটানিয়াম এনামেল ট্যাংক। সিরিজটিতে রয়েছে প্রিমিয়াম গোল্ডেন ফিনিশের ৩৫ ও ৪৫ লিটারের হরাইজন্টাল এবং ৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেল। ‘নো হ্যাংগিং, নো ড্রিলিং’ সুবিধা থাকায় ৩০ লিটারের ভার্টিক্যাল মডেলের ওয়াটার হিটার স্থাপনে প্রচলিত পদ্ধতিতে ওয়াল মাউন্টিং বা দেয়ালে ড্রিলিংয়ের প্রয়োজন হয় না। ফলে বাড়তি কোনো ঝামেলা ছাড়াই নিজেদের সুবিধামতো যেকোনো স্থানে এটি বসানো যায়।
পাশাপাশি, হায়ার বাজারে এনেছে তিন ধরনের মাইক্রোওয়েভ ওভেন ২০ লিটারের সোলো, ২৩ লিটারের গ্রিল এবং ৩০ লিটারের কনভেকশন মডেল। এর মধ্যে ৩০ লিটারের ফ্ল্যাগশিপ মডেলটিতে মাইক্রোওয়েভ, গ্রিল, কনভেকশন ও এয়ার ফ্রাইয়ের সুবিধা থাকায় একই ওভেনে বিভিন্ন ধরনের রান্না করা যাবে। এতে একই সঙ্গে স্বাস্থ্যকর ও বিভিন্ন পদের খাবার তৈরির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
নতুন এই পণ্য উন্মোচনের মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে হোম অ্যাপ্লায়েন্সের আরও বিস্তৃত পরিসর নিয়ে এসেছে হায়ার বাংলাদেশ। ভবিষ্যতেও বিশ্বজুড়ে উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে স্থানীয় গ্রাহকদের চাহিদার সমন্বয় করে আরও উন্নত ও ব্যবহার-উপযোগী পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।
একই সঙ্গে, গ্রাহকদের নির্ভরযোগ্য বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়ার মাধ্যমে স্মার্ট ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে চায় হায়ার।
বিজ্ঞপ্তি/রিফাত/
আরও পড়ুন
ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় বিশেষ আয়োজন
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
ছবি: বিজ্ঞপ্তি
-->ব্রেস্ট ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে উৎসাহিত করতে এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকায় একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে হাসপাতালের নারী কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি, প্রাথমিক লক্ষণ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ প্রতিরোধে সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এভারকেয়ার হসপিটালস, বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা. রত্নদীপ চাস্কার ও গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ; এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ ও কনসালট্যান্ট ডা. কাজী আব্দুল্লাহ আরমান; রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য; ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আরমান রেজা চৌধুরী; জেনারেল অ্যান্ড ল্যাপারোস্কপিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এস. এম. আবু জাফর ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন; প্লাস্টিক, রিকন্সট্রাকটিভ অ্যান্ড কসমেটিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক (ব্রিগেডিয়ার জেনারেল) ডা. মাসরুর হাসান; নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের
কোর্ডিনেটর অ্যান্ড সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ ফজলুল কবির ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর ডা. রায়হান হুসেইন; ল্যাব মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ডা. এস এম মাহবুবুল আলম, ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল ইসলাম এবং একই বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট প্রফেসর ডা. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদ জহিরুল আলম।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ বলেন, “স্তন ক্যানসারের চিকিৎসায় রোগের ধরন ও পর্যায় অনুযায়ী সার্জারি, কেমোথেরাপি, হরমোন থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, রেডিওথেরাপি এবং অন্যান্য চিকিৎসাপদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা সহজ হয়। তাই স্তন ক্যানসার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা, প্রয়োজনীয় তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া এবং নারীদের চিকিৎসকের
পরামর্শ নিতে উৎসাহিত করা জরুরি।”
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকার রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটর ডা. বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, “স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো রোগ শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্তনে নতুন কোনো চাকা, আকার বা ত্বকের পরিবর্তন কিংবা নিপল থেকে অস্বাভাবিক নিঃসরণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।”
এভারকেয়ার হসপিটালস বাংলাদেশের গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, “নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসাসেবা গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক সময় পারিবারিক ও পেশাগত দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারেন না। আমরা চাই, নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এভারকেয়ার হসপিটালস রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসাসেবা এবং স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা স্তন ক্যানসারের বিভিন্ন ঝুঁকি, প্রাথমিক লক্ষণ, রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি এবং চিকিৎসার বিভিন্ন ধাপ নিয়ে আলোচনা করেন।
তারা জানান, স্তনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি বয়স, পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যক্তিগত ঝুঁকি বিবেচনায় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় উপস্থিত নারী কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা স্তন ক্যানসার সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ নেন।
এভারকেয়ার হসপিটাল ঢাকা আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং সমন্বিত চিকিৎসাসেবার মাধ্যমে ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা দিয়ে আসছে। ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা মাসে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরতে কাজ করছে হাসপাতালটি।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
টুয়েলভের ‘ফেস অব টুয়েলভ’ উদ্যোগ, মডেল হওয়ার সুযোগ পাবে সবাই
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বয়স, উচ্চতা, ওজন কিংবা শারীরিক গড়নের প্রচলিত সীমাবদ্ধতা ছাড়াই মডেল হওয়ার সুযোগ তৈরি করতে ‘ফেস অব টুয়েলভ’ (Face of Twelve) উদ্যোগ চালু করেছে ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড টুয়েলভ। আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্পের (এএমটিসি) সমন্বয়ে আয়োজিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে নতুন মুখ খুঁজে নেওয়া হবে। নির্বাচিত ব্যক্তিরা টুয়েলভের লিড মডেল হিসেবে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
উদ্যোগটির আওতায় বয়স, লিঙ্গ, গায়ের রং, উচ্চতা, ওজন কিংবা শারীরিক গড়ন অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বাধা হবে না। বরং প্রত্যেকের নিজস্ব স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও আত্মবিশ্বাসকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। যারা আগে কখনো মডেলিং করেননি কিংবা নিজেকে মডেল হিসেবে কল্পনা করেননি, তারাও এ উদ্যোগে অংশ নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে ফ্যাশনকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তোলা এবং বিভিন্ন শ্রেণি- পেশার মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে চায় ব্র্যান্ডটি।
টুয়েলভের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) মতিউর রহমান বলেন, ফ্যাশন ব্র্যান্ড হিসেবে তারা এমন মানুষের মাধ্যমে পোশাক তুলে ধরতে চান, যাদের মধ্যে ক্রেতারা নিজেদের খুঁজে পাবেন। পোশাক দেখে ক্রেতাদের মনে যেন এই ধারণা তৈরি হয় যে এসব পোশাক তাদের জন্যও উপযোগী।
‘ফেস অব টুয়েলভ’-এর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়স, শারীরিক গড়ন ও নিজস্ব স্টাইলের মানুষকে সামনে আনার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।নির্বাচিত মডেলদের সঙ্গে টুয়েলভের দুই বছরের এক্সক্লুসিভ চুক্তি করা হবে। এ সময় তারা মাসিক বেতন পাবেন এবং ব্র্যান্ডটির বিভিন্ন ক্যাম্পেইন ও প্রোডাক্ট শুটে অংশ নেবেন। পাশাপাশি তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে আজরা মাহমুদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে মডেলিং ও কনটেন্ট তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। থাকবে গ্রুমিং ও ফিটনেস প্রশিক্ষণের সুযোগও।
এছাড়া নির্বাচিত মডেলদের প্রতি মৌসুমে টুয়েলভের পক্ষ থেকে ফ্যাশন পণ্য উপহার দেওয়া হবে। তাদের নিজেদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্যও থাকবে বিশেষ ছাড়ের সুবিধা। প্রশিক্ষণ, নিয়মিত কাজ ও আর্থিক সুযোগের সমন্বয়ে নতুনদের মডেলিং পেশায় এগিয়ে নেওয়াই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
এএমটিসির কর্ণধার আজরা মাহমুদ বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন মডেলরা নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ পাবেন, যা তাকে আনন্দিত করেছে। তার মতে, নিজের সময়ে তিনি এমন সুযোগ পাননি। বর্তমানে যারা মডেলিংয়ে আসছেন, তাদের জন্যও নিয়মিত কাজের সুযোগ সীমিত। দেশের বাইরে এ ধরনের উদ্যোগের চর্চা থাকলেও বাংলাদেশে এটি নতুন সংযোজন।
টুয়েলভের মতে, ফ্যাশন সবার জন্য। ‘ফেস অব টুয়েলভ’-এর মাধ্যমে সেই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং তাদের নিয়মিত কাজের সুযোগ করে দিতে চায় ব্র্যান্ডটি। আগ্রহীরা অনলাইন নিবন্ধন ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে এ উদ্যোগে অংশ নিতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তি/
আরও পড়ুন
প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->‘নব উদ্যমে জাগরণ’ স্লোগানকে সামনে রেখে প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসি তাদের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর শান্তা পিনাকলে অবস্থিত ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়।
বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এ উপলক্ষে ব্যাংকের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নিষ্ঠাবান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন উদ্দীপনায় কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয়।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের উদ্যোক্তা শেয়ারহোল্ডার ও চেয়ারম্যান ড. আরিফুর রহমান; স্বতন্ত্র পরিচালক ও প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. নুরুল আলম, এফসিএস; স্বতন্ত্র পরিচালক ও এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান সৈয়দ ফরিদুল ইসলাম; স্বতন্ত্র পরিচালক ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন এবং ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধান এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আরিফুর রহমান দায়িত্বশীল ও টেকসই ব্যাংকিং কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘অতীতের অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে আমরা সততা ও স্বচ্ছতার পথে প্রিমিয়ার ব্যাংককে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও নতুন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাংকের পরিধি সম্প্রসারণ, সেবার মান বৃদ্ধি এবং গ্রাহকদের আস্থা অর্জনে আমাদের সুপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ বলেন, ‘প্রিমিয়ার ব্যাংকের ২৭ বছরের পথচলায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও গ্রাহকদের অটুট আস্থাই প্রিমিয়ার ব্যাংককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার মূল শক্তি। সততা, স্বচ্ছতা ও সুশাসনের ভিত্তিতে আমরা টেকসই ভবিষ্যতের পথে অগ্রসর হচ্ছি।’
বিজ্ঞপ্তি/রিফাত/
আরও পড়ুন
পাঠাও নিয়ে এলো কুরিয়ার ও পার্সেল ডেলিভারিতে ডিজিটাল পেমেন্ট
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘পাঠাও’, তাদের কুরিয়ার ও পার্সেল সেবায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে ডিজিটাল পেমেন্ট অন ডেলিভারি (DPOD)।
এই সুবিধার মাধ্যমে পার্সেল Out for Delivery স্ট্যাটাসে গেলে গ্রাহকরা SMS-এ একটি Payment Link পাবেন। লিংকে গিয়ে Pay Now অপশনে ট্যাপ করে ব্যাংক কার্ড বা মোবাইল ওয়ালেটের (MFS) মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
ফলে পেমেন্টের জন্য আগে থেকে নগদ টাকা রাখা, ভাঙতি টাকা জোগাড় করা কিংবা পেমেন্ট করার জন্য ডেলিভারির স্থানে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হবে না। কুরিয়ার ডেলিভারিতে গ্রাহকদের পেমেন্টের স্বাধীনতা, নমনীয়তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
ডিজিটাল পেমেন্ট অন ডেলিভারি চালু করার মাধ্যমে পাঠাও কুরিয়ার ডেলিভারি প্রক্রিয়ার একটি দীর্ঘদিনের প্রচলিত সমস্যার সমাধান এনে দিয়েছে। ইতিপূর্বে ডেলিভারি নেওয়ার সময় গ্রাহকদের নগদ টাকা প্রস্তুত রাখা বা ভাঙতি মেলানোর যে ঝামেলা পোহাতে হতো, এই নতুন সুবিধার ফলে তার অবসান ঘটবে।
পার্সেল হাতে পাওয়ার মুহূর্তে বা পূর্বে নিরাপদ ও দ্রুত ডিজিটাল পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন গ্রাহকরা। এছাড়াও গ্রাহক যদি ডেলিভারির স্থানে উপস্থিত নাও থাকেন, তারপরেও পেমেন্ট করতে কোনো অসুবিধা হবে না। ফলে ডেলিভারি প্রক্রিয়া হবে আরও দ্রুত ও গ্রাহকবান্ধব।
এই উদ্যোগটি পাঠাও কুরিয়ারের সাথে যুক্ত মার্চেন্টদের জন্যও নতুন মাত্রা নিয়ে এসেছে। ডেলিভারির পয়েন্টে একাধিক পেমেন্ট বিকল্প থাকায় মার্চেন্টদের গ্রাহকগণ কেনাকাটার শেষ ধাপ পর্যন্ত ঝামেলামুক্ত থাকতে পারবেন, যা গ্রাহকের অভিজ্ঞতাকে আরও আস্থাপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এটি কুরিয়ার খাতে প্রথাগত ক্যাশ-নির্ভরতাকে পরিবর্তিত করে বাংলাদেশে ডিজিটাল পেমেন্টের এক নতুন সংস্কৃতি গড়ে তুলবে।
এই ফিচারটির প্রসঙ্গে পাঠাও-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেকোনো ডেলিভারিতে ডিজিটাল পেমেন্টকে একটি নিয়মিত ও নির্ভরযোগ্য অভ্যাসে পরিণত করা পাঠাও কুরিয়ারের অন্যতম লক্ষ্য। পার্সেল গ্রহণের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের পেমেন্টের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়ার পাশাপাশি এই উদ্যোগ মার্চেন্টদেরও উন্নত গ্রাহকসেবা প্রদানের প্রয়াসকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
বিজ্ঞপ্তি/
