
নিজস্ব প্রতিনিধি, ফটিকছড়ি: | মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৩৭
ছবি সংগৃহীত।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এক দিনে সাত হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে ফলজ, বনজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে ফটিকছড়ি ও নাজিরহাট পৌরসভার আয়োজনে বারৈয়ারহাট এলাকার উৎসব কমিউনিটি সেন্টারে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘এক দিনে ১ লক্ষ বৃক্ষ, সবুজ পরিবেশ আমাদের লক্ষ্য’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম।
কর্মসূচিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহমত উল্ল্যাহ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। পরে ফটিকছড়ি ও ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে এসব চারা রোপণ করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, “একটি চারা রোপণ করা মানে শুধু একটি গাছ লাগানো নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল বাতাস, নিরাপদ পরিবেশ ও সবুজ পৃথিবীর ভিত্তি তৈরি করা। তবে বৃক্ষরোপণের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে চারাগুলো বাঁচিয়ে রাখা এবং সঠিক পরিচর্যার ওপর।”
তিনি আরও বলেন, “চারা রোপণের পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা, সেচ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে। বাড়ির আঙিনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সড়কের পাশে উপযুক্ত স্থানে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর পাশাপাশি সেগুলোর পরিচর্যার দায়িত্বও নিতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার মাধ্যমে ফটিকছড়িকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এক দিনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে নিয়মিত পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমে রূপ দিতে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
ফটিকছড়ির হেঁয়াকোতে টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা, ধাওয়া খেয়ে সুয়াবিলে আটক ৫

নিজস্ব প্রতিনিধি, ফটিকছড়ি: | মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৪০

ছবি সংগৃহীত।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার হেঁয়াকো এলাকায় মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে চুরির চেষ্টা চালিয়ে পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাঁদের ধাওয়া করে নাজিরহাট পৌরসভার সুয়াবিল টেকের দোকান এলাকা থেকে আটক করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাঁদের মারধর করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি নোহা গাড়ি নিয়ে পাঁচ ব্যক্তি হেঁয়াকো এলাকায় একটি মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তাঁরা ধাওয়া দেন। এ সময় ওই ব্যক্তিরা গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সেখান থেকে ধাওয়া করে নাজিরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সুয়াবিল টেকের দোকান এলাকায় গাড়িসহ তাঁদের আটকে ফেলেন স্থানীয়রা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঢাকার কেরানীগঞ্জের আটিবাজার এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে সাইদুল ইসলাম শিমুল (৩২), কুমিল্লার লাকসামের মৃত রফিকের ছেলে সামশু উদ্দিন (৪১), একই এলাকার মৃত আবুল কাশেমের ছেলে মোজাম্মেল হক (৩২), চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের সিরাজুলের ছেলে ইউনুস (৪২) এবং কুমিল্লার লাকসামের তৈয়ব আলীর ছেলে সোহাগ (৩৪)।
খবর পেয়ে উদালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জ্যোতিষ চন্দ্র দেব ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের উদ্ধার করে ভূজপুর থানায় নিয়ে যান।
ভূজপুর থানার ওসি বিপুল চন্দ্র দে বলেন, “টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়রা পাঁচজনকে আটক করেন। পরে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
দুই দফা মেয়াদ শেষ, তবু অসমাপ্ত সেতুর কাজ—কাঠগড়ায় ঠিকাদার

সালাহউদ্দিন জিকু, ফটিকছড়ি: | মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৫:৩০

ছবি সংগৃহীত।
তেলপারই খালের ওপর সেতু নির্মাণের জন্য দাঁড়িয়ে আছে দুটি পিলার। পাশে পড়ে থাকা রডে ধরেছে মরিচা। অথচ সেতুর বাকি কাজ শেষ করার কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। নির্মাণকাজের দীর্ঘসূত্রতায় দুর্ভোগ কমার বদলে বেড়েছে স্থানীয় মানুষের ভোগান্তি। ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের অস্থায়ী সাঁকো পার হয়েই চলাচল করতে হচ্ছে কৃষক, পথচারী ও বাসিন্দাদের। দুই দফা মেয়াদ বাড়ানোর পরও সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতা ও প্রকল্প তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির লেলাং ইউনিয়নের দমদমা এলাকার ওমদা মিয়া সওদাগর বাড়ির পশ্চিম পাশে তেলপারই খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুটির চিত্র এটি। দুই দফা মেয়াদ বাড়ানোর পরও সেতুর কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কিং করপোরেশন। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে তিনবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়। তবে কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
পিআইও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে তেলপারই খালের ওপর ১৫ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ কোটি ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। ২০২৩ সালের জুনে কাজ শুরুর কথা থাকলেও তা শুরু হয় ২০২৪ সালের জুনে। পরে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে দুই দফা মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপরও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুর নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৬০ শতাংশ। এ পর্যন্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৬৬ লাখ টাকা উত্তোলনও করেছে।
স্থানীয় কৃষক আবুল হোসেন ও আবু আহমদ বলেন, “সেতুর অভাবে বছরের পর বছর ধরে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেক দিন পর সেতুর কাজ শুরু হলেও দুটি পিলার নির্মাণের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এখনো ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়। আমরা দ্রুত সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানাচ্ছি।”
নির্মাণকাজে তদারকির ঘাটতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা মো. জাকির হোসেন। তিনি বলেন, “পিআইও কার্যালয় স্থানীয়দের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ঠিকাদারকে আরও জোরালোভাবে তাগাদা দিলে কাজ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত। এ ক্ষেত্রে ঠিকাদার ও পিআইও কার্যালয়—উভয়েরই গাফিলতি রয়েছে।”
লেলাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী শাহীন বলেন, “দমদমা এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সেতুর অভাবে দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। অনেক তদবিরের পর সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। কিন্তু ঠিকাদারের চরম গাফিলতির কারণে বছরের পর বছর ধরে কাজটি অসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে আছে। ঠিকাদার আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুতই নির্মাণকাজ শেষ করবেন।”
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কিং করপোরেশনের স্বত্বাধিকারী মো. এরশাদ বলেন, “আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে সেতুটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।”
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আবু নাছের বলেন, “সেতুটির কার্যাদেশ ও প্রকল্পের মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলে কার্যাদেশের মেয়াদও বাড়তে পারে। কাজ দ্রুত শেষ করতে ঠিকাদারকে বারবার তাগাদা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কাজ শেষ না করায় ঠিকাদারকে ইতিমধ্যে তিনবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।”
সড়ক প্রশস্তকরণের বলি ঐতিহাসিক ‘চেগাইয়া বটগাছ’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফটিকছড়ি: | সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:১৯

ছবি সংগৃহীত।
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নে রামগড়–বারইয়ারহাট সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য কাটা হচ্ছে প্রায় দেড়শো বছরের পুরোনো ‘চেগাইয়া বটগাছ’। স্থানীয়দের কাছে গাছটি শুধু একটি বৃক্ষ নয়, বরং দীর্ঘদিনের ইতিহাস, স্মৃতি ও এলাকার পরিচিতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। গাছটি কাটা পড়ায় ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রামগড়–বারইয়ারহাট সড়কের পূর্ব সোনাই ফুলছড়ি মসজিদের সামনে অবস্থিত এই বটগাছের নামেই পরিচিতি পেয়েছে এলাকাটি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে দাঁড়িয়ে থাকা গাছটি ছিল স্থানীয়দের কাছে ঐতিহ্যের এক নীরব সাক্ষী। কিন্তু সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কারণে সেই স্মৃতিচিহ্ন এখন বিলুপ্তির পথে। গাছ কাটার ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. শামসুদ্দীন ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আক্ষেপ করে লেখেন, জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক সম্প্রসারণের প্রয়োজন থাকলেও প্রকল্পের নকশা তৈরির সময় চাইলে গাছটি রক্ষা করার বিষয়টি বিবেচনা করা যেত। গাছটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হলে এলাকার ঐতিহ্য যেমন রক্ষা পেত, তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মও জানতে পারত স্থানটির নামকরণের ইতিহাস।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সদস্য আব্দুল মালেকও গাছটি কাটা পড়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “এই বটগাছকে ঘিরে এলাকার মানুষের বহু স্মৃতি ও ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। গাছটি হারিয়ে গেলে ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনও হারিয়ে যাবে।”
দাঁতমারা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল উদ্দিন জানান, গাছটি অক্ষত রেখেই সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। তবে গাছটি না কাটলে সড়কটি সামনের মসজিদের পাশ ঘেঁষে নির্মাণ করতে হতো। এ ছাড়া গাছটির পেছনে থাকা জায়গায় মাটি ভরাট করে সড়ক নির্মাণ করলে গাছটি রক্ষা করা সম্ভব হতো।
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (করেরহাট রেঞ্জ) মো. মারুফ হোসেন জানান, সড়ক নির্মাণকাজ শুরুর আগে সড়কের পাশে থাকা প্রায় ২ হাজার ৮০০টি গাছ চিহ্নিত করা হয়েছিল। চেগাইয়া বটগাছটিও ওই তালিকায় ছিল। গাছটির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বন বিভাগকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অশোকা বিল্ডকন লিমিটেডের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সন্দীপ দে-র মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর হয়ে ভারতে পণ্য রপ্তানির সময় কমিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে বারইয়ারহাট–হেঁয়াকো–রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির আওতায় মিরসরাই উপজেলার বারইয়ারহাট থেকে ফটিকছড়ির হেঁয়াকো হয়ে খাগড়াছড়ির রামগড় পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্ত করা হচ্ছে। ২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া প্রকল্পে বিদ্যমান ১৮ ফুট প্রশস্ত সড়কটি ৩৮ ফুটে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। দুই বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ পেয়েছে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অশোকা বিল্ডকন লিমিটেড।
সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন যেমন সময়ের দাবি, তেমনি পুরোনো বৃক্ষ ও স্থানীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চেগাইয়া বটগাছটিকে বাঁচিয়ে রেখে উন্নয়ন কাজ পরিচালনা করা সম্ভব ছিল কি না—উন্নয়ন পরিকল্পনায় ঐতিহ্য ও পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিকে সেভাবেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন পরিবেশ সচেতন মহল।
