চট্টগ্রামের চন্দনাইশে ২০টিরও বেশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিকে ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) একটি দল। হামলার মধ্যে পালিয়ে যান মো. আলমগীর নামে ওই আসামি।
এ ঘটনায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঘটনাস্থল থেকে ও রোববার অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, উদ্ধার করা হয়েছে দুটি দেশীয় অস্ত্র।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার বরকল ইউনিয়নের কানাই মাদারী গ্রামের ঘাটকুল পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে এসআরবি ও জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার পাঁচজন হলেন—মেহেদী হাসান সিফাত (২৩), জাহাঙ্গীর আলম (২৮) ও আজিজুর রহমান সবুজ (২১), মঞ্জুর ইসলাম (৩৯) ও মো. নবাব শরীফ ওরফে নবাব মিয়া (৩৪)।
এ ঘটনায় ৪০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে এসআরবি-৭। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে করা হয়েছে আরেকটি মামলা।
এসআরবি-৭ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিভিন্ন থানায় ২০টির বেশি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও এজাহারনামীয় পলাতক আসামি আলমগীরকে ধরতে অভিযান চালায় এসআরবির একটি দল। অভিযানের সময় এসআরবি সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে আলমগীর চিৎকার করে ৪০ থেকে ৫০ জনকে জড়ো করে। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসআরবি সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান।
একপর্যায়ে হামলাকারীরা আরও মারমুখী হয়ে উঠলে নিজেদের নিরাপত্তায় কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন এসআরবি সদস্যরা। এ সময় আলমগীর পালিয়ে যান।
এসআরবি-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, হামলার ঘটনায় শনিবার ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রবিবার দিবাগত রাতে এসআরবি-৭ ও চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে উত্তর কানাইমাদারী এলাকা থেকে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চন্দনাইশ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
চন্দনাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. আলমগীর বলেন, এ ঘটনায় ৪০ জনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে পৃথক আরেকটি মামলা হয়েছে। পলাতক আসামি মো. আলমগীরকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ডিজে
