সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের অনারারি চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়া’র আমন্ত্রণে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের টোকিওতে মেইজি কিনেনকানের হানাগাসুমি রেস্তোরাঁয় তারা নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন।
এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। বাংলাদেশে মানবিক সহায়তা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য খাতে সাসাকাওয়ার দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য তাকে ধন্যবাদও জানান প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন উৎপাদনের কারখানা স্থাপনে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও নৈশভোজে আলোচনা হয়।
নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-২ কামরুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া নিপ্পন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক তাকাশি আরিকাওয়া এবং সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন।
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরকালে ইয়োহেই সাসাকাওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
নাঈম/
আরও পড়ুন
সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারে যেতে পারে পুলিশ: আইজিপি
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪২ পিএম
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। ছবি: সংগৃহীত
-->সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে প্রয়োজন হলে পুলিশ ক্রসফায়ারের পথ বেছে নিতে পারে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর চকবাজারে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ইসলামী ব্যাংকিং সেবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, ‘পুলিশ কঠোর হলে বলা হয় ফ্যাসিস্ট পুলিশ, আর নীরব থাকলে বলা হয় দুর্বল পুলিশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার অনুমতি দিলে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে ক্রসফায়ারের প্রয়োজন হলে, আমরা সেটাই করব।’
মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশকে অকার্যকর করার অপচেষ্টা সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘পুলিশকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হলে কিংবা দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া হলে সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা কঠিন হবে।’
অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত পুলিশ সদস্যদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাহিনীর নিজস্ব জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু সদস্য মাদকের বিস্তারে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন। পুলিশের কিছু সদস্যও মাদক ব্যবসায় জড়িত ছিলেন।’
আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘বর্তমানে পাড়া-মহল্লার সব জায়গায় মাদকের ব্যাপক বিস্তার দেখা যায়। এই পরিস্থিতি কে তৈরি করেছে? ভালোভাবে খোঁজ নিলে দেখা যাবে, তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা এতে পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্যও এতে জড়িত ছিলেন, এখনও কেউ কেউ আছেন।’
পুলিশের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম দূর করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে গত দুই মাসে প্রায় ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান আইজিপি।
তিনি বলেন, ‘আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমরা প্রথমে নিজেদের ঘর পরিষ্কার করছি। অথচ এ বিষয়টি নিয়েও নানা অপব্যাখ্যা ছড়ানো হচ্ছে।’
সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পুলিশকে আরও ক্ষমতায়নের আহ্বান জানিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, ‘আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আইন প্রয়োগের সুযোগ না দিলে সমাজে শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে না।’
আইজিপি জনগণকে গুজব ও অপতথ্য এড়িয়ে চলার পাশাপাশি সংবিধান ও আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
ব্যাংকিং খাত প্রসঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলী হোসেন ফকির ইসলামী ব্যাংকিংয়ে নৈতিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বর্তমান ব্যবস্থাপনার ওপর আস্থা রাখার জন্য গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান ব্যবস্থাপনায় অতীতের অনিয়ম বা সংকটের পুনরাবৃত্তির কোনো সুযোগ থাকবে না।’
মোবাইল আর্থিক সেবার (এমএফএস) তদারকি আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ইউএনবি/রিফাত/
আরও পড়ুন
নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে: শিক্ষামন্ত্রী
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার অভাবে সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, দ্বীনি শিক্ষা থেকে পিছিয়ে গেলে তা জাতির জন্য কোনো মঙ্গল বয়ে আনবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নৈতিক, ইসলামিক ও ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে সামাজিক অবক্ষয় ঘটে। এ অবক্ষয় রোধে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। আগামীদিনের শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্মীয় মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্তির কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য ধর্মীয় শিক্ষার ওপর আরও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন করতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। মাদরাসা শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী রয়েছেন। তারা আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়ানো সম্ভব।
অনুষ্ঠানে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে হিফজ সম্পন্ন করা ১ হাজার ৭৫৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন।
কাজল/নাঈম
আরও পড়ুন
২৯ অক্টোবর এইচএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে ‘সংশয়’
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের মোর্চা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে এ ঘোষণার একদিন পরই নির্ধারিত দিনে ফল প্রকাশ নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান সফরে থাকায় এ সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশ করা হবে কি না, তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোনো নির্দেশনা পায়নি বোর্ডগুলো। এ কারণে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৯ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
ফল কখন, কীভাবে প্রকাশ করা হবে এবং শিক্ষার্থীরা কীভাবে এ ফল পাবেন, তা সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে আজ নতুন করে কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেনি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান খবরের কাগজকে বলেন, ‘ফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি শেষ। প্রধানমন্ত্রী জাপান সফরে রয়েছেন। ওইদিন তিনি দেশে ফিরবেন। তিনি দেশে ফেরার পর ফল প্রকাশ করা হবে নাকি আগেই করা হবে, তা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। এজন্য ফল প্রকাশ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে কোনো বিজ্ঞপ্তি আমরা দিইনি।’
ফল প্রকাশের তারিখ পেছাবে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সেটিই বাস্তবায়ন করবো আমরা। এর বেশি এখন বলা সম্ভব নয়।’
কাজল/এএফ
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের উন্নয়নে জাপানের ধারাবাহিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে জাপানকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে হোটেল ইম্পেরিয়ালে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
এ সময় জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হারা শোহেই এবং সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন।
সাক্ষাতের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের জুলাইয়ে জাইকা প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সময় ঢাকায় অনুষ্ঠিত ফলপ্রসূ বৈঠকের কথা স্মরণ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে জাপানের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও জাইকার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষা পূরণে জাপানের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা জরুরি।’
বৈঠকে জাপানের সহায়তায় চলমান বৃহৎ উন্নয়ন প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও বাস্তবায়ন দ্রুত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রাধিকার বিবেচনায় জাপানের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণসহায়তা অব্যাহত রাখা এবং কারিগরি সহযোগিতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে- ‘বাংলাদেশ-জাপান দক্ষতা উন্নয়ন অংশীদারত্ব’ (বাংলাদেশ-জাপান স্কিলস পার্টনারশিপ) গড়ে তোলা, একটি ‘প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগরী’ (টেকনোলজিক্যাল ভিলেজ অ্যান্ড ইনোভেশন সিটি) প্রতিষ্ঠা এবং কৃষি আধুনিকীকরণ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে জাপানি সহযোগিতা বাড়ানো।
এ ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় গত বছরের মতো দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজেট সহায়তা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। জবাবে জাইকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সমৃদ্ধি অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ বাংলাদেশ ও জাপানের কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং দুই দেশের অভিন্ন সমৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সাক্ষাতে বাংলাদেশের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
এ ছাড়া ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দীকী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নাঈম/
