সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->সারের দাবিতে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। এ সময় সার ডিলারের বিরুদ্ধে কালোবাজারে সার বিক্রি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণের অভিযোগ তোলেন তারা। প্রায় এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন কৃষকরা। এতে মহাসড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার পাটিকাপাড়া ইউনিয়নের পারুলিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সার ডিলারের বাড়ি বগুড়ায় হলেও স্থানীয় জাদু মেম্বার ও ভুট্টু নামের দুই ব্যক্তি সার বিতরণ করেন। তাদের বিরুদ্ধে কালোবাজারে সার বিক্রি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে সার বিতরণের অভিযোগ রয়েছে। ডিলারের লোকজন একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলে গভীর রাতে নিজেদের পছন্দের লোকজনকে ১০-১২ বস্তা করে সার দিচ্ছেন। অথচ সাধারণ কৃষকরা দিনের পর দিন ঘুরেও প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন
১ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক একরামুল বলেন, ‘যে সময়ে সারের প্রয়োজন, সেই সময়ে যদি সার না পাই, তাহলে কৃষক ও তাদের পরিবার কীভাবে বাঁচবে? প্রয়োজনে খোলাবাজারে ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দিয়েও সার কিনতে রাজি আছি। তবুও যেন সঠিকভাবে চাষাবাদ করতে পারি। দীর্ঘদিন ঘুরেও সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বাধ্য হয়ে আমরা মহাসড়কে অবরোধ করেছি।’
চরাঞ্চলের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক মমিনুর ইসলাম বলেন, ‘ডিলারের মাধ্যমে সার বিতরণ বন্ধ করে খোলাবাজারে সার সরবরাহ চাই। সার বিতরণে অনিয়ম বন্ধ করে প্রকৃত কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি কালোবাজারে সার বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’
স্থানীয় কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ভুট্টার আগাম চাষের মৌসুমে সময়মতো সার না পেলে কীভাবে চাষাবাদ করব? সার ছাড়া জমিতে ঠিকমতো আবাদ করা যায় না। সময়মতো সার দিতে না পারলে ফসল লাল হয়ে যায়, ফলনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমাদের সারা বছর সংসার চলে ভুট্টা চাষের আয়ের ওপর। এই ফসলের ওপর নির্ভর করেই পরিবারের ভরণপোষণ করতে হয়। তাই সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন-অর রশিদ বলেন, ‘সার বিতরণের জন্য আমাদের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তবে বিতরণ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় দিতে হবে। প্রয়োজনে আমরা আগামী মাসের বরাদ্দের সার দিতে পারব। বর্তমানে ছয়টি ওয়ার্ডে সার বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে সার বিতরণ শেষ হবে। কালোবাজারে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই।’
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপন মিত্র বলেন, ‘কৃষক ভাইদের আমরা অনুরোধ জানিয়েছি যে আপনারা ধৈর্য ধারণ করবেন, আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ সার আছে। সার কার্ড যে কৃষক ভাইদের কাছে আছে, তারা সবাই সার পাবেন। এ বিষয়ে আপনাদের দুশ্চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। ওনারা আমাদের কথা গুলো শুনেছেন, কার্ডগুলো আমাদের দিয়েছেন। পরবর্তীতে আমরা কার্ডের মাধ্যমে সার বিতরণের চেষ্টা করবো।’
বকুল/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
রাজবাড়ী শহরে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->রাজবাড়ী শহরের প্রাণকেন্দ্র পান্না চত্বরসংলগ্ন পৌর ইউ মার্কেটের সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে আমির হোসেন লিটন নামের ব্যবসায়ী নেতাকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ লিটনকে প্রথমে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আহত আমির হোসেন লিটন রাজবাড়ী সদর উপজেলার বানিবহ ইউনিয়নের বৃচাত্রা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি বানিবহ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন
লিটন জানান, রাজবাড়ী আদালতে একটি মামলায় হাজিরা দিয়ে সঙ্গী হাসুকে নিয়ে রিকশায় করে শহরের কাপড় বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। পান্না চত্বর পার হয়ে ইউ মার্কেটের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি অটোরিকশা তাদের রিকশার গতিরোধ করে। এ সময় অটোরিকশার ভেতর থেকে তাকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। এর মধ্যে একটি গুলি তার ডান হাতে লাগে। বাকি দুটি গুলি মিস হয়ে যায়।
লিটনের সঙ্গে থাকা হাসু জানান, একটি গুলি তার পেট ঘেঁষে চলে যায়। তবে এতে তার কোনো ক্ষতি হয়নি।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, এক্স-রে করে দেখা গেছে, গুলিটি লিটনের হাতের মাংসের মধ্যে আটকে রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের কয়েকটি দল মাঠে কাজ করছে।
সুমন বিশ্বাস/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
উখিয়ায় ৭ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে প্রাকৃতিক গ্যাসের আগুন, নিয়ন্ত্রণে আসছে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি বাড়িতে গভীর নলকূপের পাইপ বসানোর সময় হঠাৎ গ্যাস নির্গত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সাত ঘণ্টা পার হলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে উখিয়ার ইনানী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহর বাসার আঙিনায় এ ঘটনা ঘটে।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
আরও পড়ুন
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় ১০ দিন আগে ওই এলাকার আবদুল্লাহর ভাড়া বাসার আঙিনায় পানির জন্য গভীর নলকূপ স্থাপনের কাজ শুরু হয়। প্রায় এক হাজার ফুট খনন করেও পানি না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই গর্ত থেকে হঠাৎ গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন জ্বলে ওঠে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। গর্ত থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হতে থাকায় আগুন নেভানোর প্রচেষ্টা জটিল হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার দোলন আচার্য্য জানান, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের চাপের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্যাসের প্রকৃতি ও উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
এদিকে, প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমন ও আগুন জ্বলে ওঠার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ সময় তিনি সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। মাটির নিচ থেকে অবিরাম গ্যাস নির্গত হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞ সহায়তা নেওয়ার উদ্যোগ নেয় বলে জানান।
তিনি বলেন, ঘটনাটি ইতোমধ্যে বাপেক্স সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বাপেক্সের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্যাস নির্গমনের প্রকৃতি, সম্ভাব্য উৎস এবং আগুন নিয়ন্ত্রণের উপযুক্ত পদ্ধতি পর্যালোচনা করবে। বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা এবং পরিস্থিতি নিরাপদ পর্যায়ে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। এ জন্য ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্যাস নির্গমনের প্রকৃত কারণ ও এর সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরূপণে বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর ঘটনাস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের ভাষ্য, ঘটনাস্থলের আশপাশে বসতি তুলনামূলক কম থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের আশঙ্কা কম। তবে গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকায় সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
রিদুয়ানুল সোহাগ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
জয়পুরহাটে বিষ দিয়ে তিন কৃষকের বেগুনখেত নষ্ট
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা গ্রামে তিন কৃষকের বেগুনখেতে বিষ দিয়ে গাছ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রায় ৪২ শতক জমির বেগুনগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত দুর্বৃত্তরা তাদের জমিতে বিষ প্রয়োগ করে।
জানা গেছে, ক্ষেতলাল উপজেলার বড়তারা গ্রামের কৃষক মামুনুর রশিদ ১২ শতক, আমজাদ হোসেন ২০ শতক ও আবু হেনা ১০ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেছিলেন। ধার দেনা করে লাগানো এই ফসলে ফলন আসতে শুরু করেছিল। কিন্তু তাদের লাভের আশা দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এতে গাছগুলো মরে যেতে শুরু করেছে ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে তারা।
আরও পড়ুন
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মামুনুর রশিদ বলেন, ‘১২ শতক জমিতে বেগুন চাষ করেছিলাম। রাতের আঁধারে কে বা কাহারা আমার জমির বেগুন গাছে ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করেছে। এতে আমার অনেক ক্ষতি হয়েছে।’
আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আমি ২০ শতক জমিতে বেগুনের চাষ করেছি। গাছে সবেমাত্র বেগুন ধরা শুরু করেছে । আমি জমিতে সেচ দিয়ে বাসায় ছিলাম সকালে এসে দেখি সূর্যের আলোয় বেগুন গাছ নেতিয়ে যাচ্ছে। পরে বুঝতে পারলাম আমার বেগুন গাছে কে বা কারা বিষ প্রয়োগ করেছে। আমি বিচার চাই।’
ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম বলেন, ‘বিষয়টি জেনেছি, তবে অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সাগর কুমার/আজহার/
সাগর কুমার
জয়পুরহাট
আরও পড়ুন
ঝালকাঠিতে মৎস্য বিভাগের অভিযানে হামলা, আহত ৭
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝালকাঠির নলছিটিতে সুগন্ধা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান চালানোর সময় মৎস্য বিভাগের কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৭ জন আহত হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা মৎস্য দপ্তরের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হক।
তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে একটি স্পিডবোট ও একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে সুগন্ধা নদীতে অভিযান শুরু করেন তারা। নলছিটি অংশে অভিযান শেষে ফেরার পথে কুমারখালীর জাঙ্গালিয়া-সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে ১২টি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় আসা দুর্বৃত্তরা তাদের গতিরোধ করে। পরে লাঠিসোঁটা ও রামদা দিয়ে হামলা চালানো হয়।
আরও পড়ুন
এনামুল হক জানান, হামলায় মৎস্য বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার বিশ্বাস স্পিডবোট থেকে পড়ে আহত হন। এ ছাড়া আনসার ও ভিডিপির তিন সদস্য- হাবিলদার আবদুর রহিম, সিপাহি সাকিব হাসান ও সিপাহি সেলিম মিয়া, মাঝি মো. রেজাউল করিম, চালক মো. মোস্তফা সিকদার এবং অফিস সহায়ক মো. রমজান আলী খলিফা আহত হন।
তিনি জানান, হামলাকারীরা স্পিডবোট ও ট্রলারচালকদের কান ধরে ওঠবস করায়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে আর অভিযানে না আসার জন্য তাদের কাছ থেকে মৌখিক অঙ্গীকার আদায় করে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নেয়ামুল আহসান /তামান্না রুপা/
