সৌদির পর এবার মিশরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা হাউথিদের। উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তিপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সৌদিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিশর। সেই সিদ্ধান্তকে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল বলে মনে করছে ইয়েমেনের জঙ্গি গোষ্ঠী। সেকারণেই পালটা হাউথিরা মিশরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল।
দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে ভয়ংকর যুদ্ধে লিপ্ত হাউথি বিদ্রোহীরা। সৌদির প্রধান বাণিজ্যপথ বাব-আল মান্দেব প্রণালী-সহ ইয়েমেনের একাধিক অঞ্চল এখন তাঁদের দখলে। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে অসহায় সৌদিকে বাঁচাতে ইথিমধ্যেই তৎপর হয়েছে পাকিস্তান ও তুরস্ক। সোমবারই সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছে মিশর। রিয়াধের সুরক্ষায় মিশরের সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের অনুমতি দিয়েছে সে দেশের পার্লামেন্টে। দ্রুত সৌদির রক্ষায় মোতায়েন হবে মিশরীয় সেনা।
মিশরের এই পদক্ষেপকে সরাসরি যুদ্ধের প্ররোচনা হিসাবে দেখছে হাউথিরা। ইয়েমেনের ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে সময় আলোচনা শুরু হয়েছে, ঠিক সেসময় সৌদি আরবের তথাকথিত প্রতিরক্ষায় মিশরের সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ইয়েমেনের প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণার শামিল। সেই মতো জবাব দেওয়া হবে। যার অর্থ এবার হাউথিরা মিশরের সঙ্গেও সরাসরি যুদ্ধের পরিস্থিতি। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা আরও বাড়বে।
ইতিমধ্যেই সৌদির পাশে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান, এবং তুরস্ক। সৌদির সঙ্গে যেহেতু মক্কা চুক্তি রয়েছে ওই দুই দেশের, তাঁরা একপ্রকার বাধ্য হয়েই সৌদির পাশে দাঁড়িয়েছে। মিশর ওই মুসলিম ন্যাটোর অঙ্গ না হলেও সৌদিতে যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে তাঁদের অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়েছে। তাছাড়া সৌদির সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্কও রয়েছে। সেকারণেই মিশরের সৌদিকে সাহায্যের সিদ্ধান্ত।
