প্রেম, বিয়ে এবং তারপর স্ত্রীকে যৌনদাসী করে রাখার বিস্ফোরক অভিযোগ! প্রেমিককে ভরসা করে পালিয়ে বিয়ের পর হায়দরাবাদে সংসার করতে এসে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা মায়ানমারের তরুণীর। তাঁর গুরুতর অভিযোগ, দিনের পর দিন ভাড়া বাড়িতে তাঁকে তালাবন্দি করে রেখে স্বামী বন্ধুদের পাঠাতেন ধর্ষণ করতে। মাসখানেক ধরে এই যন্ত্রণা সহ্য করার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েই থানায় ছুটেছেন ১৮ বছরের তরুণী। অভিযোগের ভিত্তিতে তরুণীর স্বামী ও তাঁর বন্ধুদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। কিন্তু চারজনই আপাতত পলাতক। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি। এমন ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসায় শিউরে উঠছেন অনেকে। এখনও সমাজের একটা স্তরে নারীর অবস্থান ঠিক কতটা অসহনীয়, তা নিয়েও চর্চা চলছে।
তামান্নার দাবি অনুযায়ী, গত মে মাসে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে নিয়ে পালিয়ে যায় ফয়াজ। হায়দরাবাদের একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন দু’জন। সেখানেই নামমাত্র বিয়ে হয় তাঁদের। অভিযোগ, তারপর থেকে ওই ভাড়াবাড়িতে তামান্নাকে তালাবন্দি করে রাখত ফয়াজ। স্ত্রীকে ধর্ষণ করতে তিন বন্ধুকে ঘরে পাঠাত সে! এভাবেই কয়েকমাস ধরে লাগাতার যৌন হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে তামান্নাকে। এর প্রতিবাদ করলে স্বামী ও বন্ধুরা খুনের হুমকি দিত বলে অভিযোগ। প্রায় যৌনদাসীর জীবন কাটাচ্ছিল মায়ানমারের মেয়েটি!
মায়ানমারের মেয়ে তামান্না থাকতেন বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কক্সবাজারে। সেখানে তাঁর সঙ্গে আলাপ ও প্রেম হয় ভারতের মহম্মদ ফয়াজের। তামান্নার দাবি অনুযায়ী, গত মে মাসে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে নিয়ে পালিয়ে যায় ফয়াজ। হায়দরাবাদের একটি ভাড়া বাড়িতে ওঠেন দু’জন। সেখানেই নামমাত্র বিয়ে হয় তাঁদের। অভিযোগ, তারপর থেকে ওই ভাড়াবাড়িতে তামান্নাকে তালাবন্দি করে রাখত ফয়াজ। স্ত্রীকে ধর্ষণ করতে তিন বন্ধুকে ঘরে পাঠাত সে! এভাবেই কয়েকমাস ধরে লাগাতার যৌন হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে তামান্নাকে। এর প্রতিবাদ করলে স্বামী ও বন্ধুরা খুনের হুমকি দিত বলে অভিযোগ। প্রায় যৌনদাসীর জীবন কাটাচ্ছিল মায়ানমারের মেয়েটি!
তবে শেষমেশ উদ্ধারের রাস্তা মেলে। যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তামান্না ও তাঁর স্বামী, সেই বাড়ির মালিক গত সপ্তাহে ভাড়া নিতে এলে গোটা বিষয়টি ধরা পড়ে। ওই মালিক বাড়ির তালা খুলে তামান্নাকে উদ্ধার করেন এবং সব শোনার পর তাঁকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেন। বন্দি জীবন থেকে পালিয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন। স্বামী মহম্মদ ফয়াজ ও তার তিন বন্ধু – আহমেদ মুজিব, নুর কামাল, জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ দায়ের করেন। চারজনের বিরুদ্ধে জোর করে আটকে রাখা, ধর্ষণ ও অপরাধমূলক কাজের ধারায় মামলা হয়েছে। এখনও পলাতক তারা। প্রেমিককে ভরসা করে পরিবার ছেড়ে সংসার করতে এসে মায়ানমারের সদ্য তরুণী যে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখে পড়লেন, তা সত্যিই গায়ে কাঁটা দেওয়ার মতো।
