চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তাঁর স্বামী। হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তারের পর আজ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন নিহতের স্বামী। এই ঘটনায় নিহতের ননদও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পটিয়া থানা-পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
নিহত তানিয়া কামালের (২০) স্বামীর নাম নুরু উদ্দিন (২৩) ও ননদ জ্যোৎস্না আক্তার (২৮)।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে পটিয়া উপজেলার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরকানাই মোনাফ হাজীর পাড়ায় স্বামীর বাড়ির শোয়ার ঘরে তানিয়ার মৃত্যু হয়। তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ওই বাড়ি থেকে নুরু উদ্দিন ও তাঁর বোন জ্যোৎস্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার নুরু উদ্দিন চরকানাই মোনাফ হাজীর পাড়ার কাঞ্চন মিয়া ও আলতাজ বেগমের ছেলে। অপর গ্রেপ্তার জ্যোৎস্না আক্তার মো. খোকনের স্ত্রী। তাঁর স্থায়ী ঠিকানা পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের মহিরা এলাকার হামজা মিয়ার বাড়ি।
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক জানান, বাদীর এজাহারের ভিত্তিতে ২৭ অক্টোবর পটিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হলে নুরু উদ্দিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
