বৈধ শংসাপত্র ছাড়াই চিকিৎসা চালানোর অভিযোগে ফের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম রুহুল আমিন খান। তিনি বারুইপুরের বেলেগাছি এলাকার রামকৃষ্ণপল্লিতে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরিচয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসা চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রের খবর, সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে বারুইপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা রিপন হাওলাদার নামে এক যুবক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নামে পুলিশ।
রিপন জানান, কলকাতার ট্রপিক্যাল মেডিসিন হাসপাতালের চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা চালাতেন রুহুল। গত অগস্টে প্রতিমা হালদার নামে তাঁর এক পরিচিত মহিলা ওই
চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, রোগ সারিয়ে তোলার বদলে তা বেড়ে যায়। এর পরে তাঁকে ট্রপিক্যালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে জানান, ভুল চিকিৎসার জেরেই এই পরিস্থিতি। সেখান থেকেই তাঁরা জানতে পারেন, ওই নামে কোনও চিকিৎসক ট্রপিক্যাল হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত নন। এর পরেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পড়াশোনার বৈধ কোনও শংসাপত্র দেখাতে পারেননি ওই চিকিৎসক। কী ভাবে, কত দিন ধরে তিনি এই কাজ চালাচ্ছিলেন, আরও কোথাও রোগী দেখতেন কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, এর আগে সোনারপুর থেকে এক ভুয়ো চিকিৎসককে ধরেছিল পুলিশ। বারুইপুর থেকে কয়েক দিন আগেই তিন ভুয়ো চিকিৎসককে ধরা হয়। তাঁরা অবৈধ ভাবে মৃত্যুর শংসাপত্র দিতেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় বারুইপুরের দুই পুরপ্রতিনিধিকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল।
এই প্রতিবেদনটি প্রথমে আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে
