Published on
:
1 min read
এই সময়, গাইঘাটা: স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের (সার) জেরে ভোটাধিকার হারিয়েছেন গাইঘাটায় ধর্ষণ করে খুন হওয়া কিশোরীর মা। ২০২৬–এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোটও দিতে পারেননি তিনি। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর সংসারে স্ত্রীর সামাজিক প্রকল্পগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হিমশিম অবস্থা নিহত কিশোরীর খেতমজুর বাবার। নাগরিকত্ব ফিরে পেতে সিএএ–তে আবেদন করেছিলেন নিহতের মা। কিন্তু সুরাহা হয়নি। এর মধ্যে ছোট মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছেন নিহতের বাবা–মা।
সোমবার মেয়েটির বাড়িতে এসে সিএএ–র আবেদনপত্র গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখে নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক শিল্পা গৌরীসারিয়া। পাশাপশি নিহতের পরিবারকে রাজ্য সরকারের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া জেলা প্রশাসন শুরু করেছে বলে আশ্বাস দেন জেলাশাসক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত কিশোরীর পরিবার বহু বছর ধরেই এ দেশে বসবাস করছে। এ দেশে বসবাসের প্রয়োজনীয় নথিও রয়েছে তাঁদের। পঞ্চায়েত থেকে বিধানসভা ও লোকসভায় বহুবার ভোট দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু সার শুরুর পর প্রয়োজনীয় নথি দিয়ে ফর্ম পূরণ করে বিএলও–র কাছে জমা দিলেও ভোটার তালিকায় নাম ওঠেনি কিশোরীর মায়ের।
জেলা শাসক বলেন, 'নিহত কিশোরীর মা সিএএ–র জন্য আবেদন করেছেন। সেই আবেদন গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নিহতের বাবার নাম আগে থেকেই ছিল না ভোটার তালিকায়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করে প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।'