প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন বিবাহিতা তরুণী। হাতেনাতে তাঁকে ধরে ফেললেন স্বামী। ধরতে পেরে প্রথমে স্ত্রীর প্রেমিকের পা বাঁধলেন। তার পর বেল্ট দিয়ে মারধর করলেন স্ত্রী এবং তাঁর প্রেমিককে। ঘটনাটি মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলার। ভয়াবহ সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ছে সমাজমাধ্যমে।
সংবাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২০ অক্টোবর ভদৈয়া কুণ্ড নামে একটি পর্যটনকেন্দ্রে স্ত্রী এবং তাঁর প্রেমিককে একসঙ্গে দেখে ফেলেন এক তরুণ। ক্ষিপ্ত হয়ে সঙ্গে সঙ্গে তুতো ভাইকে ফোন করেন তিনি। প্রথমে ওই তরুণের স্ত্রীর প্রেমিকের পা বেঁধে ফেলা হয়। তার পর বেল্ট দিয়ে মারা হয় প্রণয়ী যুগলকে। তরুণ এবং তাঁর ভাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন প্রহৃতা তরুণী। তার ভিত্তিতে দুই অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে খবর।
ঘটনাটির একটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে সমাজমাধ্যমে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি দেওয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক তরুণী। তাঁর পরনে শাড়ি, মাথায় ঘোমটা। বেল্ট দিয়ে তাঁর পিঠে একের পর এক আঘাত করে চলেছেন এক তরুণ। আরও এক তরুণকেও বেল্ট হাতে দেখা যায়। পাশে আরও এক তরুণকে দেখা যায়, যাঁর পা বেঁধে রাখা হয়েছে। তাঁকেও ক্রমাগত বেল্ট দিয়ে মারা হচ্ছে। একসময় দেখা যায়, দুই তরুণ-তরুণীকেই মারা হচ্ছে।
দিনের আলোয় প্রকাশ্য রাস্তায় এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই দুই তরুণ। ভিডিয়োয় এক জনকে দেখা গিয়েছে গোটা ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করছেন তিনি। এমন অমানবিক কাজ দেখে কেউই অভিযুক্ত দুই তরুণকে বাধা দিয়েছেন বলে জানা যায়নি।
‘অলইন্ডিয়া১ভয়েস’ নামের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটির ভিডিয়ো ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। যদিও ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োটি দেখে হইচই পড়ে গিয়েছে নেটপাড়ায়। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। ওই দুই তরুণ যে ভাবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন, তাঁর নিন্দা করেছেন সকলেই। তাঁদের কঠোর শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন।
