ছবির ক্যাপশন: ..
মোঃ মামুন:
২৭ অক্টোবর ২০২৬ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে চাঁদা না দেওয়ায় আশুলিয়ায় সোয়েটার কারখানা ভাঙচুর হামলা ও লুটপাটকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মোঃ আহাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমি মোঃ আহাদুজ্জামান, ১নং শহীদ বদিউজ্জামান রোড, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, থানা-ক্যান্টনমেন্ট- ঢাকা। আমি আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট রশিদ মার্কেট এলাকায় জমি ক্রয় করিয়া সেখানে বিল্ডিং সেড নিমান করিয়া বিগত অনুমান ১৭ বছর যাবত এনডি সোয়েটার ফ্যক্টরী পরিচালনা করিয়া আসিতেছি। সম্প্রতি স্থানীয় ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে কবির হোসেন শিশিরসহ তার দলবল নিয়ে আমার ফ্যক্টরী পরিচালনায় বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আমার নিকট ১,০০০০০০০ (এক কোটি) টাকা চাঁদা দাবী করেন । তারা চাঁদার টাকার জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করিয়া আসতে থাকে। কিন্তু দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেওয়ায় গত ২২/১০/২০২৬ তারিখ সকাল অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আশুলিয়া ছাত্রদলের সভাপতি পরিচয় দিয়ে মোঃ সানোয়ার (৩০) এর নেতৃত্বে কবির হোসেন শিশির, নেতৃতে পিতা-মোঃ জয়নাল মুন্সি, সাং-মধ্য গাজিরচট রশিদ মার্কেট, ৩। মোঃ মোখেলেছ (৫০) পিতা-অজ্ঞাত, সাং-বাগাবাড়ী বাজার, ৪। মোঃ জালাল (৫০) পিতা-অজ্ঞাত, সাং- ইউনিক ই সতিনের পুকুর, ৫। তোফাজ্জল হোসেন (৪০) পিতা-অজ্ঞাত, ৬ । সোহেল খন্দকার (২৮) পিতা-অজ্ঞাত, ৭। রকি (২৫) পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং-মধ্য গাজিরচট রশি মার্কেট, সর্ব থানা- আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা, সহ কিশোর গ্যাংয়ের অজ্ঞাতনামা ৪০/৫০ জন দা লোহার রড, সাবল, হাতুড়ী, হামার হকিষ্টিক, লাঠি সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়া হেলমেট পরিহিত অবস্থায় আমার ফ্যক্টরীর উত্তর পাশের বিল্ডিং সেডের ওয়াল ভেঙ্গে ভেতওে প্রবেশ করে। তারা ফ্যক্টরীতে কর্মরত শ্রমিক ও ষ্টাফদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। ফ্যক্টরীর সেডে থাকা সোয়েটারের সুতা, সোয়েটারের বড়ি, বিভিন্ন এক্সেরিজ মূল্য অনুমান ৪০,০০০০০ (চল্লিশ লক্ষ) টাকার মালামাল লুটপাট করে নিয়া যায় । জরুরী আইনী সহায়তার জন্য ৯৯৯ এর কল দিলে পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে তাদেও বের করে দেয়। কিন্তু পরদিন পুনরায় তারা হামলা চালায়। এব্যপাওে চরম নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ওসি সাহেব মামলা না নিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন । একজন ওসি ভুক্তভুগিকে নিরাপত্তা না দিয়ে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ য়োয় এটা স্পষ্ট যে এখানে নিরাপত্তার যথেষ্ট অভাব রয়েছে । তাই নিজের ও শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও আমি শঙ্কিত। আমাদের ফ্যক্টরির বায়ার আলতাফ হোসেন (৪৫) তাহার কাজ দেখার জন্য ফ্যক্টরীর গেইটে গেলে বিবাদীগন তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম কওে তাড়িয়ে েিয়ছে। তাদের হুমকিতে বর্তমানে আমার মালিকানা ফ্যক্টরী বন্ধ রয়েছে, যাহার ফলে শ্রমিক অসন্তোষ সহ আন্দোলনের আশংকা রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি ও জীবনের নিরাপত্তার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্ৰী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ সংশ্লিষ্টদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
