আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা। তামিলনাড়ুর থেনি জেলার থেক্কামপট্টি জেলা কারাগার থেকে সোমবার গভীর রাতে ১৭ জন বন্দি পালিয়ে গিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এদের মধ্যে চারজনকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাত ১০টার নাগাদ বন্দিরা কারারক্ষীদের ওপর হামলা চালায়। এরপরই তারা কারাগার থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপার প্রবীণ গৌতম এবং দক্ষিণ জোনের আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি কারাগার পরিদর্শন করেন এবং কারারক্ষীদের কাছ থেকে বন্দিদের পালানোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে মাদুরাই জেলার বাসিন্দা লিঙ্গম, রাজা, কারুপ্পাসামি, সিলামবারাসান, তিরুপতি, মীনাক্ষী সুন্দরম এবং সাবারি রয়েছেন। এদের মধ্যে তিনজন গ্যাং বা অপরাধী চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিচারাধীন ছিলেন।
পালিয়ে যাওয়া ১৭ জন বন্দির মধ্যে চারজনকে ফের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদুরাইয়ের পেরুনগুডি এলাকার বাসিন্দা প্রবীণ নামের এক বন্দিকে কারাগারের কাছাকাছি একটি বনাঞ্চল থেকে পুলিশ ধরে ফেলে এবং কারাগারে ফিরিয়ে আনে। মঙ্গলবার ভোরে থেনি জেলার থেভারাম এলাকা থেকে সিলামবারাসান নামের এক বন্দিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এছাড়া রাজকুমার ও রাজা সিকান্দারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
কারাগার পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের বিজয়েন্দ্র বিদারি বলেন, “আমরা খবর পাই যে রাত ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ থেক্কামপট্টি কারাগার থেকে বন্দিরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরার জন্য ১৭টি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে এবং ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চলছে।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে একজন হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার (খিঁচুনি ওঠার) ভান করেন। এরপর, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে আসা কারারক্ষীদের ওপর হামলা চালিয়ে মোট ১৭ জন বন্দি কারাগার থেকে পালিয়ে যান। আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি আরও বলেন, “বন্দি পলানোর ঘটনার পর পুরো থেনি জেলায় পুলিশ যানবাহন তল্লাশি জোরদার করেছে। এছাড়া, পলাতকদের খুঁজে বের করতে স্নিফার ডগ (প্রশিক্ষিত কুকুর) ব্যবহার করে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে।”
