

মুকসুদপুরে অভিযান চালিয়ে ১৬ কেজি গাঁজাসহ সীমা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১০ এর সদস্যরা। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-১০-এর ফরিদপুর ক্যাম্পে থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। আটককৃত সীমা বেগম মুকসুদপুর উপজেলার বাহারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে মুকসুদপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উদ্ধার করা গাঁজাসহ গ্রেপ্তার সীমা বেগমকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার বিষপানের হু'মকি— ‘১০ বিয়ে করলেও হৃদয়কেই চাই’
‘১০ বিয়ে করলেও হৃদয়কেই চাই, নইলে বিষপান করে আত্মহত্যা করব’—এমন হুমকি দিয়ে জামালপুরের মেলান্দহে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক তরুণী। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর থেকে উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের থুরী টনকীপাড়া এলাকায় হৃদয়ের বাড়িতে অবস্থান করছেন তিনি। তরুণীর দাবি, বিয়ের দাবিতে বিষ হাতে ওই বাড়িতে গেলে হৃদয়ের মা তার কাছ থেকে তা কেড়ে নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হৃদয় ও ওই তরুণীর বাড়ি পাশাপাশি। একসময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তারা বিভিন্ন জায়গায় একসঙ্গে ঘোরাফেরাও করতেন। তাদের সম্পর্কের কথা পরিবারের সদস্যসহ এলাকার অনেকেই জানতেন বলে দাবি করেছেন ওই তরুণী। তরুণীর অভিযোগ, সম্প্রতি হৃদয়ের পরিবার তাকে অন্যত্র বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। এ খবর জানার পর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেন তিনি। এ ঘটনার পর থেকে হৃদয় ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ওই তরুণী বলেন, ‘আমাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা হৃদয়ের পরিবারের সবাই জানেন। বিয়ের দাবিতে বিষ হাতে তার বাড়িতে এসেছিলাম। পরে তার মা আমার কাছ থেকে বিষ কেড়ে নেন। এলাকার সবাই আমাদের সম্পর্কের কথা জানেন। আমার মানসম্মান সব শেষ হয়ে গেছে। এখন বিয়ে না হলে কাউকে মুখ দেখাতে পারব না। হৃদয় আমাকে বিয়ে না করলে এ বাড়িতেই বিষ খেয়ে মারা যাব। সে ১০ বিয়ে করলেও আমাকে বিয়ে করতেই হবে।’ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তরুণী ও হৃদয়ের বাড়ি পাশাপাশি। তারা একই বংশেরও। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। এ বিষয়ে হৃদয়ের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বর্ণিল সাজে বারোমারী তীর্থস্থান, বৃহস্পতিবার শুরু ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড়ের বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ও শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ফাতেমা রাণী মা মারিয়ার ২৯তম বার্ষিক তীর্থোৎসব। ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসব ঘিরে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে তীর্থস্থান। প্রায় শেষ হয়েছে প্রস্তুতি, নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। আয়োজকদের তথ্যমতে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ খ্রিস্টান ধর্মীয় সমাবেশ হিসেবে পরিচিত এ তীর্থোৎসবে প্রতি বছর দেশ-বিদেশ থেকে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক তীর্থযাত্রী অংশ নেন। প্রায় ৪২ একর জমির ওপর ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত বারোমারী খ্রিস্টধর্মপল্লীটি ১৯৯৮ সাল থেকে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের আদলে তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এখানে রয়েছে ৪৮ ফুট উঁচু মা মারিয়ার মূর্তি ও বিশাল প্যান্ডেল। তীর্থোৎসবের আকর্ষণীয় আয়োজনের মধ্যে রয়েছে মোমবাতি হাতে প্রায় দেড় কিলোমিটার পাহাড়ি পথে আলোক শোভাযাত্রা, পুনর্মিলনী প্রার্থনা, সান্ধ্যকালীন খ্রিস্টযাগ, সাক্রামেন্তের আরাধনা, নিশি জাগরণ, জীবন্ত ক্রুশের পথ ও মহাখ্রিস্টযোগ। উৎসবে প্রধান পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ময়মনসিংহ খ্রিস্টধর্ম প্রদেশের বিশপ পনেল পৌল কুবি সিএসসি। নিরাপত্তায় পোশাকি ও সাদা পোশাকে চার শতাধিক পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে প্রায় ২০০ জন এপিবিএন সদস্য থাকবেন। পাশাপাশি এসআরবি ও বিজিবির টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে। আয়োজক কমিটির সমন্বয়ক ও বারোমারী ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত রেভারেন্ড ফাদার তরুণ বানোয়ারী জানান, আবহাওয়া ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন জানান, তীর্থোৎসব ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে উৎসবে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্টদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে।

বরিশালে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২
বরিশাল নগরীর কাউনিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫’শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মেট্রোপলিটন কাউনিয়া খানা পুলিশের অভিযানে এ মাদক উদ্ধার হয়। এসময় আটক করা হয় দুই মাদক ব্যবসায়ীকে। মেট্রোপলিটন পুলিশের বরিশাল সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে কাউনিয়া থানাধীন বিসিসি ৩নং ওয়ার্ডস্থ মতাসার বাজার এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মোঃ সাকিব হাওলাদার (২৭) ও মোঃ রাকিবুল ইসলাম (৩২) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে তারা। আটককৃতরা উভয়েই মহানগরীর কাউনিয়া থানাধীন মতাসার এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ৪৪৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। আটককৃত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কাউনিয়া থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

তালতলীতে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী নাঈম আহমেদের গণসংযোগ
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপির দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা নাঈম আহমেদ হাওলাদার গণসংযোগ ও পথসভা করেছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ চালান তিনি। গণসংযোগ শেষে স্থানীয় সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে একটি বিশাল পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নাঈম আহমেদের নানামুখী সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা ও ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। পথসভার পূর্বে বিভিন্ন ওয়ার্ডের ভোটারদের সাথে মতবিনিময়কালে নাঈম আহমেদ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের সুখ-দুঃখের কথা গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাঈম আহমেদ হাওলাদার বলেন, “জনগণের ভোটাধিকার ও নায্য পাওনা নিশ্চিত করতে বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আপনারা যদি আমাকে সেবা করার সুযোগ দেন, তবে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের অবহেলিত প্রতিটি জনপদের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন নিশ্চিত করব। নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি এই ইউনিয়নকে একটি সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার মূল লক্ষ্য।” অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালতলী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান সুমন, প্রাক্তন আহ্বায়ক রুহুল আমিন হোসেন রোমান, তালতলী উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, কলেজ ছাত্রদলের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক বশির উদ্দিন এবং উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-আহ্বায়ক তামিম হাসান রানা। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মনির গাজি, সুলতানা সিকদার, পনু ঘড়ামীসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

কাঠালিয়ায় পাকা ধান রক্ষায় কৃষকের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ
ধান পাকার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে পাখির আনাগোনা। পাশাপাশি পোকামাকড়ের আক্রমণ ও গবাদিপশুর বিচরণেও থাকে ক্ষতির আশঙ্কা। শেষ মুহূর্তে এসব ঝুঁকি এড়াতে ব্যতিক্রমী এক পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার এক কৃষক। ৩৩ শতক জমির পাকা ধান রক্ষায় চারপাশসহ পুরো খেত নেটজাল দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন তিনি। উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের বাঁশবুনিয়া এলাকায় দেখা গেছে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। মাঠজুড়ে সবুজ ধানের সমারোহের মধ্যে কৃষক নিল রতন হাওলাদারের জমিতে এখন সোনালি ধান। আর সেই ধান নিরাপদে ঘরে তুলতে জমির চারপাশ ও ওপরের অংশে নিখুঁতভাবে টানানো হয়েছে নেটজাল। সরেজমিনে দেখা যায়, জমির চারদিকে খুঁটি পুঁতে নেটজাল বসানোর পাশাপাশি ওপরের অংশও ঢেকে দেওয়া হয়েছে। নিচ দিয়ে যেন কোনো গবাদিপশু প্রবেশ করতে না পারে, সে ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এতে পাখির উপদ্রব ও গবাদিপশুর মাধ্যমে ফসল বিনষ্ট হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে। কৃষক নিল রতন হাওলাদার জানান, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো ব্রিধান-৮৭ জাতের আগাম ধান চাষ করেছেন তিনি। ৩৩ শতক জমিতে ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। তবে ধান পাকার পর পাখির আক্রমণ ও অন্যান্য কারণে ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। শেষ মুহূর্তে কঠোর পরিশ্রমে ফলানো ফসল রক্ষা করতে নেটজাল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। নিল রতন হাওলাদার আরও বলেন, “ধান চাষে অনেক পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করতে হয়। কিন্তু ফসল ঘরে তোলার ঠিক আগমুহূর্তে ক্ষতি হলে সব পরিশ্রমই পণ্ড হয়ে যায়। তাই কিছুটা বাড়তি খরচ হলেও নেটজাল দিয়ে পুরো জমি ঢেকে দিয়েছি। নিরাপদে ফসল ঘরে তুলতে পারলে আমার কষ্টের সার্থকতা।” স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পাখির হাত থেকে ধান বাঁচাতে তাঁরা সাধারণত কাকতাড়ুয়া বা উজ্জ্বল ফিতা ব্যবহার করেন। তবে পুরো জমি নেটজাল দিয়ে ঢেকে ফেলার ঘটনা এই এলাকায় একেবারেই নতুন। ফলে নিল রতন হাওলাদারের এই নতুন কৌশল দেখতে প্রতিদিন আশপাশের অনেক কৃষকই তাঁর খেত দেখতে আসছেন। এ বিষয়ে কাঁঠালিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফাতেমা ইসলাম বলেন, ধান পাকার মৌসুমে পাখি ও অন্যান্য প্রাণীর কারণে ফসলের ক্ষতি হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা। এ ক্ষতি কমাতে কৃষক নিল রতন হাওলাদারের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সঠিকভাবে নেটজাল ব্যবহার করা গেলে ফসল সুরক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়া সম্ভব। পরিস্থিতি ও প্রয়োজন বিবেচনায় অন্য কৃষকেরাও এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, কষ্টার্জিত ফসল নিরাপদে ঘরে তোলা কৃষকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফসল রক্ষায় এমন সচেতনতা ও নতুন পদ্ধতি গ্রহণের মানসিকতা দেশের কৃষি খাতের জন্যই ইতিবাচক।


