Published on
:
1 min read
খনিগর্ভে নামার সময়ে প্রায় ২০০ ফুট গভীরে ডুলির মধ্যে আটকে ১৪ জন ইসিএল (ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেড) কর্মী। সোমবার সন্ধ্যায় এই ঘটনায় পাণ্ডবেশ্বরের ইসিএলের কুমারডিহির কোলিয়ারিতে চরম আতঙ্ক। শ্রমিকদের উদ্ধারের কাজ শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে পাঁচটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। সেই সময় ডুলিতে করে আটজন শ্রমিক খনির নীচে নামছিলেন। অন্যদিকে, কাজ শেষ করে খনির নীচ থেকে উপরে উঠে আসছিলেন আরও ছয়জন কর্মী। ডুলি ওঠানো-নামানোর কাজে ব্যবহৃত ইঞ্জিন ঘরের ড্রামে একটি লোহার তার ফেঁসে যেতেই মাঝপথে বিপত্তি ঘটে। দু’দিকে দু’টি ডুলির মধ্যে অন্ধকারে আটকে পড়েন কর্মীরা।
প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে খনির ভিতরে আটকে রয়েছেন ১৪ জন কর্মী। উপর থেকে চিৎকার করে ডুলিতে আটকে থাকা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করছেন সহকর্মীরা। অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে উদ্ধার কাজে দেরি হলে ভিতরে আটকে থাকা শ্রমিকদের মানসিক চাপ ও আতঙ্ক আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতির অবনতি হলে বড়সড় বিপদও ঘটতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সহকর্মীরা। আটকে থাকা কর্মীদের জন্য উপর থেকে জলের বোতল ও খাবার নামিয়ে দেওয়া হয়। কর্মীদের মনোবল বাড়াতে প্রতিনিয়ত চিৎকার করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন সহকর্মীরা।
কোলিয়ারির এজেন্ট মধুসূদন সিং বলেন, ‘শীঘ্রই মেরামতের কাজ শুরু করা হবে। খনির নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের নিরাপদে উপরে তুলে আনার চেষ্টা চলছে।’ তবে ঠিক কী কারণে এই যান্ত্রিক বিপত্তি ঘটল, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তিনি বলেন, ‘কর্মীদের উদ্ধার করার জন্য সবরকম চেষ্টা চলছে। আটকে থাকা কর্মীরা যাতে আতঙ্কিত না হন তার জন্য আমরা কথা বলছি তাঁদের সঙ্গে।’
