মানববন্ধনে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা
কারাগারে আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা।
কারাগারে আটক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের নেতারা।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনটির ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে অন্যায়ভাবে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সেদিন বিমানবন্দরে যাত্রীদের সঙ্গে করা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন। সেটিই কি তার অপরাধ? সরকার তার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছে, তার কোনো ভিত্তি নেই বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, এ হয়রানিমূলক মামলার জন্য তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া না হলে এর চেয়েও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের ছেলে সাব্বির জামান বলেন, তার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। প্রবাসীদের পক্ষে বিমানবন্দরে প্রতিবাদ করায় তাকে মামলায় আটক রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, বিমানবন্দরে রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ের দাবিতে প্রতিবাদ করায় মেজর আখতারুজ্জামানকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে করা মামলার অভিযোগের পক্ষে সরকার এখনো কোনো প্রমাণ দিতে পারে নি বলে দাবি করেন তিনি। মামলা-হামলা করে তার প্রতিবাদী কণ্ঠ থামানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন।
ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানির প্রতিবাদ করেছিলেন মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। এ কারণেই তাকে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মাথায় হেলমেট পরিয়ে আদালতে তোলার ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ নতুন করে ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি মো. ফজলুল হক, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা তাজিরুল ইসলাম, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের মুখপাত্র শহিদুল ইসলাম, সাব্বির জামান, ডা. মইন উদ্দিনসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা।
