প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর ২০২৬শেষ আপডেট ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জিতলেন বামপন্থি লুলা

ব্রাজিলে দক্ষিণপন্থি ফ্ল্যাভিও বলসোনারোকে হারিয়ে চতুর্থবারের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন লুইস ইনোসিও লুলা দ্য সিলভা। নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রক্ষণশীল ফ্লাভিও বলসোনারোকে হারিয়েছেন লুলা।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম রাউন্ডে লুলা বলসোনারোর কাছে হেরে গেছিলেন। কিন্তু তখন লুলা বা বলসোনারো কেউই ৫০ শতাংশ ভোট পাননি। চূড়ান্ত পর্যায়ের নির্বাচনে লুলা পেয়েছেন ৫১ দশমিক সাত শতাংশ ভোট এবং বলসোনারো পেয়েছেন ৪৮ দশমিক দুই শতাংশ ভোট।
গত শতকের আটের দশকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর ব্রাজিলে এই প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম রাউন্ডে কোনও প্রার্থী হেরে গিয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ে জিতে প্রেসিডেন্ট হলেন।
এই নির্বাচনের প্রচারে নানান কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছিল, প্রবল কাদা ছোড়াছুড়ি হয়েছে। শেষ সময়ে সুপ্রিম কোর্ট ভোট দেওয়ার সময়সীমা দুই ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়। কারণ, লুলা দাবি করেছিলেন, ভোটাদাতারা যাতে ভোট দিতে না পারেন, সেজন্য বিভিন্ন শহরে রাস্তা থেকে বাস তুলে নেওয়া হয়েছিল। ফলে অনেকে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি।
ভোট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রত্যাশার থেকে বেশি ভোট পড়েছে এবং তাতে লুলা লাভবান হয়েছেন। গণনার সময় রক্ষণশীল প্রার্থী শুরুতে এগিয়ে যান। যখন গরিব ও সবচেয়ে জনবহুল উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলিতে ভোটগণনা হয়, তখন লুলা এগিয়ে যান।
তবে লাগাতার এই দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর লুলার পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো অ্যামেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এই অঞ্চলে অ্যামেরিকার প্রভাব বিস্তার করতে চান। বলসোনারো অ্যামেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক ভালো করে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
জার্মানিতে ব্রাজিলের যে নাগরিকরা আছেন, তাদের মধ্যে ৭৯ শতাংশের বেশি ভোটদাতা লুলার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। প্রথম রাউন্ডে সংখ্যাটা ছিল ৭১ দশমিক নয় শতাংশ।
জিএইচ/এসজি(এপি, এএফপি, রয়টার্স)

https://p.dw.com/p/5Oewb
প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর ২০২৬শেষ আপডেট ২৬ অক্টোবর ২০২৬
পড়ুয়াদের দলের কাছে হার মেনে নিলেন সার্বিয়ার শাসক ভুসিচ

সার্বিয়ায় পার্লামেন্ট নির্বাচনে হার স্বীকার করে নিলেন দীর্ঘদিনের শক্তিশালী শাসক আলেকসান্দার ভুসিচ। সার্বিয়ায় এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা ভুসিচ ও তার সার্বিয়ান প্রোগ্রেসিভ পার্টি(এসএনএস)-র শাসন শেষ হতে চলেছে। দুই বছর ধরে চলা পড়ুয়াদের আন্দোলনের জেরে ক্ষমতা হারাচ্ছেন ভুসিচ।
সার্বিয়ার নির্বাচনে প্রচুর ভোট পড়েছিল। লড়াইটা ছিল ভুসিচের এসএনএসের সঙ্গে পড়ুয়াদের সদ্যগঠিত দল স্টুডেন্টস লিস্ট-এর মধ্যে।
বেলগ্রেডে এসএনএসের সদরদপ্তরে বসে ভুসিচ বলেছেন, ''এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে আমরা তিনটি নির্বাচনেই হারছি। স্টুডন্টস লিস্ট ১৩৫ থেকে ১৪০টি আসন পেতে পারে, এসএনএস পেতে পারে ১০৫টি আসন।''
ভুসিচ অবশ্য হারের জন্য অ্যামেরিকা, ইউরোপের দেশ(নাম বলেননি তিনি) এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিডিয়াকে দায়ী করেছেন।
ভুসিচ হার মেনে নেওয়ার পরই সার্বিয়ায় উৎসব শুরু হয়ে যায়। মানুষ গাড়ির হর্ন বাজাতে থাকেন। নির্বাচন কমিশনের সদরদপ্তরের সামনে মানুষ নাচতে থাকেন।
২০১২ সালে এসএনএস পার্লামেন্ট নির্বাচনে জেতে। ২০১৪ সালে ভুসিচ প্রধানমন্ত্রী হন। তারপর ২০১৭ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হন। তিনি গত মাসে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দেন এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়েন।
জিএইচ/এসজি(এপি, এএফপি, রয়টার্স)
https://p.dw.com/p/5Of5F
২৬ অক্টোবর ২০২৬
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

জনসভায় অমিত শাহর বিরুদ্ধে কুমন্তব্য করে তার মানহানি করেছেন অভিযোগ করে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা বিজয় মিশ্র। কিন্তু উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরে বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালত জানিয়ে দিলো, রাহুল গান্ধীর উক্তি মানহানিকর নয়।
বিচারক এই রায় দেওয়ার আগে রাহুল গান্ধী নিয়মমাফিক আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন।
২০১৮ সালে বেঙ্গালুরুতে বিধানসভা নির্বাচনের সময় একটি জনসভায় রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে বিজয় মিষ্র এই ফৌজদারি মানহানির মামলা করেন।
এই রায় দেওয়ার আগে উত্তরপ্রদেশের কংগ্রেস প্রধান আরাধনা মিশ্র বার্তাসংস্থা পিটিআইকে জানান, আদালতের উপর তাদের পুরো ভরসা আছে। রাহুল গান্ধী শুধু এই মামলার জন্য আলাদতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সুলতানপুর আসছেন।
রাহুলের কনভয়ের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষ
রাহুল গান্ধীর কনভয় যখন উত্তরপ্রদেশে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাচ্ছিল, তখন সেই কনভয়ে থাকা পাঁচটি গাড়ির ধাক্কা লাগে। পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল যে গাড়িতে ছিলেন, তার কিছু হয়নি। বিরোধী নেতা সুস্থ আছেন। কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয়।
বার্তাসংস্থা পিটিআইকে পুলিশের অফিসার জানিয়েছেন, কনভয়ের আগে থাকা স্থানীয় কংগ্রেস নেতার গাড়িটি আচমকা ব্রেক কষে। তার ফলে পিছনের চারটি গাড়ির ঠোকাঠুকি নয়। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার কনভয় চলতে শুরু করে। রাহুলও সুলতানপুর আদালতে পৌঁছে যান।
জিএইচ/এসজি(পিটিআই, এএনআই)
https://p.dw.com/p/5Of7j
২৬ অক্টোবর ২০২৬
ভারতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়বে?

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় গত ছয় ঘণ্টায় গতিপথ পরিবর্তন করে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে যাচ্ছে। ভুবনেশ্বরের আবহাওয়া দপ্তর একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর দুপুর নাগাদ প্রবল শক্তিসঞ্চয় করে এই ঘূর্ণিঝড় ওড়িশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে বারিপদা থেকে বিশাখপত্তনমে আছড়ে পড়তে পারে। তখন ঝড়ের গতি থাকতে পারে ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১৪০ কিলোমিটার। এর সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ক্রমশ এই ঝড় তার গতি বাড়াবে। ২৭ তারিখ তা খুবই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে।
ওড়িশা সরকার পুলিশ ও প্রশাসনকে উপকূলবর্তী এলাকায় গিয়ে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা নিতে বলেছে। বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য গঠিত বিশেষ অ্যাকশন ফোর্সের সদস্যদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। ভুবনেশ্বরে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
অন্দ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। বিপর্যয়ের মোকাবিলায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
দুই রাজ্যে পাঁচ লাখ ৭০ হাজার মানুষ ঝড়ের কমবে পড়তে পারেন মনে করে সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে তাদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে সরকার জানিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে এই ঘবর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কলকাতায় বুধ ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হতে পারে। ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। উপকূলের এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাত হতে পারে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়বে?
ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার দ্য ডেইলি স্টার জানাচ্ছে, বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেছেন, বাংলাদেশে ৫০ কিলোমিটারের মতো গতিত ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কক্সবাজার মংলাতে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গে পরবর্তী সংকেত না দেওয়া পর্যন্ত মৎসজীবীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশের দেওয়া নাম
ঘূর্ণিঝড় অর্ণব নামটি বাংলাদেশের দেওয়া। ২০২০ সালে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা(ডাব্লিউএমও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইকনমিক অ্যান্ড সোস্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিকেরর কাছে ঘূর্ণিঝড়ের ১৩টি সম্ভাব্য নামের তালিকা দেয় বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, আমিরাত ও ইয়েমেন। বঙ্গোপসাগর, আরব সাগরে কোনো ঘূর্ণিঝড় হলে ১৩ দেশের দেওয়া ১৬৯টি নামের মধ্যে পালা করে নাম বেছে নেওয়া হয়। এবার যেমন বাংলাদেশের দেওয়া নাম বাছা হয়েছে।
জিএইচ/এসজি(এএনআই, রয়টার্স, এনডিটিভি)
https://p.dw.com/p/5Of2z
প্রকাশিত ২৬ অক্টোবর ২০২৬শেষ আপডেট ২৬ অক্টোবর ২০২৬
ইইউ-তে বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি কমেছে, বেড়েছে ভারত, চীনের

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে ডেনিম পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলো জানাচ্ছে, প্রথম স্থান ধরে রাখলেও চলতি বছরের প্রথম আট মাসে (জানুয়ারি–অগাস্ট) বাংলাদেশের ডেনিম রপ্তানি কমেছে। অন্যদিকে চীন, মিসর, ভিয়েতনাম ও ভারতের রপ্তানি দ্রুত হারে বাড়ছে।
ইইউর পরিসংখ্যান দপ্তর ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ২৯৫ কোটি ইউরোর ডেনিম পোশাক আমদানি করেছে ইইউর দেশগুলো। এই আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ কম।
ইইউর সামগ্রিক আমদানির তুলনায় বাংলাদেশ থেকে ডেনিম নেওয়ার পরিমাণ বেশি কমেছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ ৮৭ কোটি ইউরোর ডেনিম রপ্তানি করেছে। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ কম। ইইউর ডেনিম পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা এখন ২৯ দশমিক ৪০ শতাংশ।
ইইউয়ে দ্বিতীয় শীর্ষ ডেনিম পোশাক রপ্তানিকারক পাকিস্তান। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ৫৩ কোটি ইউরোর ডেনিম রপ্তানি করেছে দেশটি। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। এখন ইইউর ডেনিম পোশাকের বাজার হিস্যার ১৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ দেশটির দখলে রয়েছে।
এই বাজারে তৃতীয় ও চতুর্থ শীর্ষ ডেনিম পোশাক রপ্তানিকারক যথাক্রমে তুরস্ক ও তিউনিসিয়া। চলতি বছরের আট মাসে তুরস্কের ডেনিম পোশাকের রপ্তানি কমেছে ২১ শতাংশ। দেশটি রপ্তানি করেছে ৪৪ কোটি ইউরো। অন্যদিকে আফ্রিকা মহাদেশের তিউনিশিয়া রপ্তানি করেছে ২২ কোটি ইউরোর ডেনিম। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চীন থেকে ইইউর ডেনিম রপ্তানি চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ১৭ দশমিক ৭০ শতাংশ রপ্তানি বেড়ে ২০ কোটি ইউরো। বর্তমানে বাজারটিতে চীনের হিস্যা ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। অন্যদিকে গত জানুয়ারি–অগাস্টে মিসরের ডেনিম পোশাক রপ্তানি ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেড়ে ২০ কোটি ইউরো হয়েছে। বর্তমানে বাজারটিতে মিসরের হিস্যা ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
এদিকে ইইউয়ে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে পাঁচ কোটি ইউরোর ডেনিম তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে ভিয়েতনাম। এই রপ্তানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৫ শতাংশ বেশি। এ ছাড়া ভারত গত জানুয়ারি–অগাস্ট সময়ে তিন কোটি ডলারের ডেনিম পোশাক রপ্তানি করেছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি।
তবে ইইউর বাজারে চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও অগাস্টে সামগ্রিকভাবে ডেনিম পোশাকের রপ্তানি ১২ দশমিক ৭১ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ১৩ কোটি ৪১ লাখ ইউরো। অবশ্য ইইউর সামগ্রিক ডেনিম আমদানিও বেড়েছে। আগস্টে তাদের আমদানি ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩ কোটি ইউরো হয়েছে।
জিএইচ/এসজি(প্রথম আলো)
https://p.dw.com/p/5Oeww
২৬ অক্টোবর ২০২৬
তারেকের জাপান সফরে কী সমঝোতা হতে পারে, কারা সঙ্গে গেলেন

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান গেলেন। তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাপানের বড় কোম্পানি ও উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিভিন্ন শিল্প ও জ্বালানি স্থাপনা পরিদর্শন করবেন।
ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার দ্য ডেইলি স্টার জানাচ্ছে, এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে প্রায় দুইশ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ ও আর্থিক সহায়তা সংক্রান্ত একাধিক সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।
ঢাকা ও টোকিওর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রস্তাবিত এই সহায়তা প্যাকেজের মধ্যে বাজেট সহায়তা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং জ্বালানি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা খাতে সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সফরে ৫-৮টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বা সম্মতিপত্রে সই হতে পারে।
কূটনৈতিক একটি সূত্র দ্য ডেইলি স্টারকে জানায়, প্রস্তাবিত অর্থের মধ্যে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা হিসেবে বরাদ্দের সম্ভাবনা রয়েছে।
২৭ অক্টোবর তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে বসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ও প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. মেহেদুল ইসলাম, মিয়া মোহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী, সহকারী সামরিক সচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জুননুন নাহিদ, প্রটোকল অফিসার কামরুল ইসলাম, গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ এন এম মনোয়ারুল কাদির, এডিসি স্কোয়াড্রন লিডার সৈয়দ নাজমুল হোসেন, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. নওয়াব আলী ও ফাতেমা বেগম রয়েছেন অতিথি তালিকায়।
আরও আছেন উপপ্রেস সচিব শাহাদাত হোসেন স্বাধীন, সিনিয়র ফটোগ্রাফার মো. খালেদ ইবনে এম এ রব, এসএসএফ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী, পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল গোলাম আরিকুল আলম, এসএসএফ উপপরিচালক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোহাম্মদ ফারহান ওয়াসিফ, সহকারী পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. মেহেরাজ ইসলাম, সহকারী পরিচালক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট ফওজিয়া আলম ও লেফটেন্যান্ট তাসফিয়া আক্তার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সচিব আসাদ আলম সিয়াম, সচিব সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব এস এম আনিসুল হক, চিফ অব প্রটোকল এ এফ এম জাহিদ-উল-ইসলাম, উপপ্রধান প্রটোকল (সফর) মো. বেলাল হোসেন, পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অনুবিভাগের পরিচালক রুহুল আমিন, পরিচালক মো. ইফতেখার রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাহাব উদ্দিন।
অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন মো. আজিজুল হক ইসলামাবাদী ও আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে জাপানে যাচ্ছেন।
জিএইচ/এসজি(দ্য ডেইলি স্টার)
https://p.dw.com/p/5Oex5
আরো পোস্ট দেখান
