অরুণাচল প্রদেশের একাংশ দখল করে নিয়েছে চিন! বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিল কংগ্রেস। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে মুখ পুড়ল হাত শিবিরেরই। ভারতীয় সেনার তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কংগ্রেসের দাবি সর্বৈব মিথ্যে। সীমান্তে স্বীকৃত এলাকায় চিনা গাড়ির আনাগোনা দেখে ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে। এবার গোটা ঘটনায় কংগ্রেসকে পালটা তোপ দাগলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। তাঁর সাফ দাবি, ভুল খবর ছড়ানোর জন্য ক্ষমা চাইতে হবে কংগ্রেসকে।
বিহার কংগ্রেসের মুখপাত্র ঋতু চৌধুরি মঙ্গলবার একটি ভিডিও প্রকাশ করে দাবি করেন, ভারতের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চিনা গাড়ি। কারণ অরুণাচল প্রদেশের ওই এলাকা দখল করে ফেলেছে চিন। আরেক কংগ্রেস কর্মী দাবি করেন, অরুণাচল প্রদেশে মোতায়েন সেনার সঙ্গে যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন। জওয়ানদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছতে দিচ্ছে না চিন।
কিন্তু মঙ্গলবার সেনার তরফ থেকে জানানো হয়, সোশাল মিডিয়ায় যে ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সেটা আসলে ভারত-চিন সীমান্তের ট্রেড পয়েন্ট। সিকিমের নাথু লা পাস সংলগ্ন ওই এলাকায় বৈধভাবেই দুই দেশের ব্যবসায়ীরা গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করেন। তাই এই ঘটনাকে চিনা দখলদারি হিসাবে তুলে ধরাটা একেবারেই ভুল। আরেকটি ভাইরাল ভিডিও চিহ্নিত করে সেনার তরফে বলা হয়েছে, ডিপফেক ব্যবহার করে ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবরের ফুটেজটি পালটে দিয়ে ছড়ানো হচ্ছে নেটদুনিয়ায়। সেসময়ে জম্মু-কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেনাকর্তা। কিন্তু সেই ভিডিও বিকৃত করা হচ্ছে।
গোটা বিষয়টি নিয়ে এবার কংগ্রেসকে পালটা দিলেন অরুণাচল প্রদেশের সাংসদ কিরেণ রিজিজু। তাঁর কথায়, ‘গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত কংগ্রেসের। এআই দিয়ে বিকৃত ভিডিও বানিয়ে সেনার ভাবমূর্তিতে ওরা কালি ছেটাচ্ছে। এহেন আচরণ তো আমাদের শত্রুদের মতোই নীচ। ভারতের শত্রুদের হয়ে দেশের অন্দরে কাজ চালাচ্ছে কংগ্রেস।’ যদিও হাত শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
