বরগুনায় দীর্ঘদিন ধরে ডিমের ব্যবসা করে আসছেন ফোরকান। ডিম বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকায় তাঁর উপাধি হয়েছে ‘ডিম ফোরকান’। বরগুনা মাছবাজারের সামনে ফোরকানের দোকানে নকল ডিম বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ ক্রেতারা।
বরগুনা শহরের প্রাণকেন্দ্র মাছবাজারের সামনে ডিম ফোরকানের দোকানে নকল ডিম বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে দায় এড়াতে দোকানদার বিভিন্ন অজুহাত দেখাচ্ছেন বলে দাবি করেছেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
স্থানীয়দের দাবি, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ওই দোকান থেকে ডিম কিনে আসছেন। দোকানটিতে ক্রেতাদের আনাগোনাও বেশি বলে জানা গেছে। এমন একটি ব্যস্ত এলাকায় নকল ডিম বিক্রির অভিযোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগজনক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সাধারণ মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
একজন ক্রেতার প্রশ্ন, সাধারণ মানুষ যদি প্রতিদিনের খাবারেও নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা না পান, তাহলে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করবে কে? ঊর্ধ্বমুখী বাজারে গরিব মানুষের পুষ্টি ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণের অন্যতম উপাদান ডিম নিয়েও এমন অভিযোগ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
নিয়মিত ক্রেতা আইউব আলী বলেন, “আমি প্রতিদিন এই দোকান থেকে ডিম কিনি। নকল ডিম, নাকি আসল ডিম—তা আমি বুঝতে পারি না। এভাবে ডিম কিনে বাচ্চাদের খাওয়ালে দেখা যাবে, তারা পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। আমি চাই, প্রকৃত অপরাধীকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হোক।
