ছবির ক্যাপশন: ....
মো. সোহেল রানা
গত ৫-১২ ২০২৫ তারিখে রাত আনুমানিক দুইটা বিশ ঘটিকার সময় দারুস সালাম থানাধীন জহুরাবাদ পালপাড়া ঘাট এলাকায় র্যাব পরিচয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি করেন একটি চক্র।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় সাদা একটি প্রাইভেট কার পিছনে থেকে এসে চলন্ত বাইকের সামনে দাড়িয়ে আটকে দেয় মোটরসাইকেল টিকে । পরবর্তিতে র্যাব পরিচয় দুই হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে প্রাইভেট কারে তুলে নেয় মোটরবাইকে থাকা খোকন ও নাহিদকে।প্রাইভেট কারের ভেতর অজ্ঞাত নামা চারজন ব্যক্তি নাহিদ ও খোকনকে পিস্তল ঠেকিয়ে নগদ নয় লক্ষ চৌদ্দ হাজার টাকা তিনটি মোবাইল ফোন ও একটি Yamaha Fazer বাইক নিয়ে চক্রটি বেরিবাধ হয়ে মাজার রোড দিয়ে পালিয়ে যায়। এমনটি জানালেন ভুক্তভোগী খোকন ও নাহিদ। খোকন এর তথ্যমতে জানা যায় হাত বাধা অবস্থায় গাড়িতে উঠিয়ে তাদের দুজকে প্রায় এক ঘণ্টার মতো গাড়িতে ঘোরানো হয় এরপরে নাহিদকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনের রোডে ও খোকনকে পাসপোর্ট অফিসের পাশে মেইন রোডে ডাকাতরা ফেলে রেখে চলে যায়।
ডাকাতির বিষয়ে তথ্য অনুসন্ধানে গেলে প্রত্যক্ষদর্শী ন্যাশনাল ট্রাভেলস-এর সিকিউরিটি গার্ড জানান র্যাব-এর কটি পরা লোক গাড়ী থেকে নেমে দুই মিনিট এর মধ্যেই ডাকাতি করে পালিয়ে যায়। আনুমানিক ডাকাতির ঘটনার ৩ ঘন্টার পর নাহিদ ও খোকনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দুটি পাওয়া গেছে বলে জানান মালিবাগ বাস স্ট্যান্ডের কর্ণফুলী বাসের সুপারভাইজার সোহেল। বর্তমানে মোবাইল ফোন দুইটি নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা থানায় জমা রয়েছ। ডাকাতির ঘটনায় দারুস সালাম থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে দারুস-সালাম থানার অফিসার ইনচার্জ জানান ডাকাতির মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর এর প্রক্রিয়া চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামি গ্ৰেফতার সম্ভব হয়নি।
বর্তমানে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা বিষয়টি নিয়ে দারুস সালাম থানা এলাকায় ব্যাবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে চলছে আলোচন সমালচনা। প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে একটি চক্র অতি দ্রুত এই চক্রটিকে আইনের মাধ্যমে কঠোর বিচার করা হোক, এমনটাই প্রত্যাশা ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের।
