আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পপ গায়িকা নিকি মিনাজছবি: X
Published on
:
2 min read
নিজেকে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘এক নম্বর ভক্ত’ বলে দাবি করেন পপ তারকা নিকি মিনাজ। তাই ট্রাম্পের ডাক ফেরাতে পারেননি। রবিবার মিশিগানে রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রচারে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু ভরা জনসভায় তাঁর শরীর নিয়ে এমন মন্তব্য করে বসেন ট্রাম্প যে, লজ্জায় পড়ে যান গায়িকা নিজেই। পরে অবশ্য নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট।
মিশিগানের সেনেট নির্বাচনে মাইক রজার্সকে প্রার্থী করেছে রিপাবলিকান পার্টি। তাঁর সমর্থনেই বিশাল প্রচার সভার আয়োজন করা হয়েছিল। হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্পের সঙ্গেই এয়ার ফোর্স ওয়ানে মিশিগানে যান নিকি। ফ্লাইটে মজা করে একটি কাল্পনিক চাকরির ইন্টারভিউয়ের ভিডিয়োও করেন তিনি। আসলে দু’দিন আগেই পদত্যাগ করেছেন হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব কেটি জ়াকারিয়া। ভিডিয়োতে দেখানো হয়, নিকি যেন সেই পদেই ইন্টারভিউ দিচ্ছেন।
গুচির সোনালি-বাদামি রঙের স্কার্ট-স্যুটে সভায় হাজির হন গায়িকা। প্রথমে অবশ্য মঞ্চে ওঠেননি। দর্শকাসনেই বসেছিলেন। ট্রাম্প বক্তব্য রাখতে উঠেই ওহায়োর রিপাবলিকান সেনেটর জন হাস্টেডের শারীরিক গঠন নিয়ে তাঁর আগের একটি মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সাধারণত পুরুষদের নিয়ে এমন মন্তব্য করি না। তবে মহিলাদের নিয়ে করেছি।’ এর পরেই নিকি মিনাজকে টেনে বলেন, ‘একবার তাঁর সুন্দর *** দেখেছিলাম। চোখ এড়ানো কঠিন।’
ট্রাম্পের মন্তব্য শুনে হইচই শুরু করে দেন দর্শকরা। সেই উল্লাস ধ্বনির মধ্যেই নিকিকে উঠে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। গায়িকা হাসিমুখে উঠে দাঁড়িয়ে হাত নাড়েন। তবে তাঁর চোখেমুখের অস্বস্তি নজর এড়ায়নি অনেকেরই। বিষয়টা বুঝতে পারেন ট্রাম্পও। নিকিকে মঞ্চে ডেকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার কথায় অপমানিত বোধ করলে দুঃখিত।’ সভা শেষে মঞ্চ থেকে নামার সময়ে নিকিকে ট্রাম্প বলেন, ‘আপনাকে এত সুন্দর আগে কখনও দেখিনি।’
মিশিগানে আবদুল এল সায়েদকে প্রার্থী করেছে ডেমোক্র্যাটরা। এ দিন তাঁকে তীব্র আক্রমণ করেন ট্রাম্প। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এল সায়েদ জিতলে আমেরিকায় জিহাদিরা প্রবেশের সুযোগ পেয়ে যাবে।’ এমনকী সেনেটে ঢোকার আগে তাঁকে মেটাল ডিটেক্টরের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ইসলামবিদ্বেষী বলে তোপ দেগেছেন ডেমোক্র্যাটদের একাংশ। তবে নিকির প্রসঙ্গে ট্রাম্পের মন্তব্য নিয়েই বিতর্ক হচ্ছে সবচেয়ে বেশি।
