আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বাঁ দিকে) এবং ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট লুলা দ্য সিলভা (ডান দিকে)ছবি: X
Published on
:
1 min read
ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল ভোটে জিতেছেন লুলা দ্য সিলভা। হারিয়ে দিয়েছেন দক্ষিণপন্থী প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারোকে। তার পরে ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। এর মধ্যেই সোমবার ‘ভোট চুরির’ অভিযোগে সরব হলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায়, ‘কারচুপি হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।’ তবে ‘ভোট চুরির’ কোনও প্রমাণ দেননি তিনি।
মিসিসিপিতে প্রচারে যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। সেখানেই ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি কারও পক্ষ নিচ্ছি না। কিন্তু এটা কারচুপি বলেই মনে হচ্ছে। খুব খারাপ লাগছে।’ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভোটদানের সময়সীমা দু’ঘণ্টা বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘অদ্ভুত’ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
লুলার কাছে হারের পরেও পরাজয় স্বীকার করেননি ফ্লাভিও বলসোনারো। ভোট বাতিলের দাবি তুলেছেন তিনি। ট্রাম্পের সুরেই ভোটদানের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ব্রাজ়িলের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেরাল্ডো আলকমিন। টিভি চ্যালেন রেডে ভাঙ্গুয়ার্দাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভুল। ভিত্তিহীন মন্তব্য।’
লুলার সঙ্গে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত সম্পর্ক অম্লমধুর। আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ট্যারিফের বিরুদ্ধে তিনি রীতিমতো যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তবে ব্রাজ়িলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ফ্লাভিওকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানাননি ট্রাম্প। যদিও রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বলসোনারোকে ক্ষমতায় ফেরাতে আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের আধিকারিকরা জোরদার প্রচার চালিয়েছিলেন। তার পরেও অবশ্য টানা চতুর্থ বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয় হাসিল করে নিয়েছেন লুলা।
অন্য দিকে, আমেরিকার কোনও ভোটে কারচুপি হয়েছে, এমন প্রমাণ দিতে পারলে ১০ লক্ষ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। সেটা আগের কোনও নির্বাচন হোক কিংবা নভেম্বরের মিড টার্ম ইলেকশন, কারচুপি সংক্রান্ত তথ্য দিলেই মিলবে পুরস্কার। তবে একটা শর্তও দিয়েছেন তিনি। শুধু অভিযোগ করলেই হবে না। অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হলে, তবেই দেওয়া হবে পুরস্কারের অর্থ।
