দেশ ছাড়ার গুঞ্জন, রুমি বলছেন দেশেই আছেন
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
শাহজালাল রুমি। ছবি: সংগৃহীত
-->টঙ্গীর মাদরাসায় শিশু নিপীড়নের ঘটনায় আলোচিত শাহজালাল রুমি দেশেই আছেন বলে দাবি করেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আপাতত দেশ ছাড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁর। তবে তার অবস্থান স্বাধীনভাবে বা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্বজনদের দাবি, বিভিন্ন দেশ থেকে হুমকি পাওয়ায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আগাম জামিন নেওয়ার চেষ্টা করছেন।
এর আগে, গত শুক্রবার গাজীপুরের টঙ্গীর কলেজ গেইট আওচপাড়া এলাকায় ক্বারিউল কোরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসায় বহিরাগতদের নিয়ে প্রবেশ, শিক্ষককে মারধর, অফিসকক্ষ ভাঙচুর ও ১৭ লাখ টাকা লুটের অভিযোগে মামলা হয়। মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলমাস হোসেন বাদী হয়ে শাহজালাল রুমির বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
অন্যদিকে, সাত বছর বয়সী ওই ছাত্রীকে চুমু দেওয়া ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে তার পরিবারের করা মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষক মুসলেম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। গত রবিবার গাজীপুর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার জামিনের আবেদন করা হলে শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জানান, রবিবার আসামিপক্ষ আদালতে জামিনের আবেদন করে। এ সময় ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বাদীপক্ষে আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। তিনি বলেন, শুনানির শুরুতে বিচারক ভুক্তভোগী শিশুর ২২ ধারায় দেওয়া জবানবন্দি দেখতে চান। জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে শুনানি শুরু হলে উভয় পক্ষের বক্তব্য, শিশুর জবানবন্দি ও মামলার পারিপার্শ্বিক তথ্য বিবেচনায় নিয়ে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া মাদরাসা ভাঙচুর, টাকা লুট ও শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ ওই অভিভাবকসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। ওসি জানায়, শাহজালাল রুমি-কে মামলার প্রয়োজনে তদন্ত চলছে। তবে, এখন তাকে গ্রেপ্তার নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে না। এ বিষয়ে নিয়ে পুলিশ নজরদারি রাখছে।
মো. পলাশ প্রধান/এসএন
আরও পড়ুন
উখিয়ায় গ্যাসের আগুন নিয়ন্ত্রণে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল পৌঁছাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীর ছোটখালী এলাকায় নলকূপের গর্ত থেকে বের হওয়া প্রাকৃতিক গ্যাসে জ্বলে ওঠা আগুন নিয়ন্ত্রণে বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার।
সকাল ৬টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল্লাহর বাড়ির আঙিনায় পরিত্যক্ত একটি নলকূপের গর্ত থেকে হঠাৎ গ্যাস বের হতে শুরু করে। একপর্যায়ে সেখানে আগুন জ্বলে ওঠে। দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস নির্গমন ও আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে সারাদিন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। তবে দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়েও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। নলকূপের গর্ত থেকে অনবরত গ্যাস বের হতে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। এ অবস্থায় আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা নিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) বিশেষজ্ঞ দলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পান্না আক্তার খবরের কাগজকে বলেন, বিষয়টি বাপেক্স কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর ঢাকা থেকে তাদের বিশেষজ্ঞ দল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে গ্যাস নির্গমনের প্রকৃতি এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নির্ধারণ করবেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় ১০ দিন আগে ওই স্থানে পানির জন্য গভীর নলকূপ খননের কাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় এক হাজার ফুট খনন করেও পানির সন্ধান না পাওয়ায় কাজ বন্ধ করে গর্তটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে সেখান থেকেই গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং আগুন জ্বলে ওঠে।
এদিকে, গ্যাস নির্গমন অব্যাহত থাকায় ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আগুনের প্রকৃত কারণ ও গ্যাসের ধরন নিশ্চিত হতে বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন।
রিদুয়ানুল হক/রিফাত/
আরও পড়ুন
নরসিংদীতে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ব্ল্যাকআউট নিয়ে বিভ্রান্তি
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নরসিংদীসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় দুপুর ১টার পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) এ ঘটনায় নরসিংদীতে ব্ল্যাকআউট হয়েছে কি না, তা নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মকর্তার বক্তব্যে ভিন্নতা দেখা দিয়েছে।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর বরাত দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা ও সিলেট জোনে আংশিক ব্ল্যাকআউটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার তথ্য প্রচার করা হয়। তবে ঘটনাটিকে ব্ল্যাকআউট বলতে নারাজ নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। তাঁর দাবি, বিভিন্ন স্থানে ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ কর্তৃপক্ষের নোটিশে বলা হয়, ঢাকা ও সিলেট জোনে আংশিক ব্ল্যাকআউটের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হয়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। সাময়িক অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করে।
অন্যদিকে, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ বলেন, “বিষয়টি ব্ল্যাকআউট নয়। আমাদের কয়েকটি জায়গায় ফল্ট (ত্রুটি) হয়েছে। এর মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে উৎপাদনজনিত ত্রুটি দেখা দেওয়ায় নরসিংদী সদরের চৌয়ালা গ্রিড, ভুলতা, আড়াইহাজার ও সোনারগাঁ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ঘোড়াশাল গ্রিডের আওতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল। যেসব গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছিল, সেগুলোতে সরবরাহ পুনরায় চালু করতে কাজ চলছিল। এ বিপর্যয় সাময়িক বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার মো. আব্দুল কুদ্দুস বলেন, “একসঙ্গে সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো ব্ল্যাকআউট হয়েছে।” তিনি জানান, ঘোড়াশালে ২৩২ কেভি লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু থাকলেও ১৩২ কেভির সব লাইন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
এদিকে, হঠাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় দৈনন্দিন কাজকর্ম, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। তবে প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়।
শাওন খন্দকার শাহিন/এসএন
আরও পড়ুন
কুড়িগ্রামে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->কুড়িগ্রামের উলিপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বছিরন বেওয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার তবকপুর ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেললাইন পারাপারের সময় চিলমারীগামী রমনা লোকাল ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন বছিরন বেওয়া। এতে তার একটি হাত ও একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মাথায়ও গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিষয়টি রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে।’
লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’
সিরাজ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে ডেকে নিয়ে মারধর, ৫ দিন পর হাসপাতালে মৃত্যু
প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঢাকার ধামরাইয়ে রাতের আঁধারে ডেকে নিয়ে আবুল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় পাঁচ দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের করা মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাগ্নে নাজমুল ইসলাম বাদী হয়ে ধামরাই থানায় ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
এদিকে গ্রেপ্তার দুজন হলেন কাশেম (৪৮) ও রুবেল।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মো. মান্নান (৪৫), আব্দুর রশিদ (৪০), রানা (৪০), শাহীন (৩৫), শামীম (২৬), মো. হাসেন (৫০), ওয়াশিম (৪২) ও আল আমিন (৩২)। এ ছাড়া ৭-৮ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ধামরাই উপজেলার ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের কাকরান এলাকায় সরকারি জমি বিক্রি এবং রাস্তার পাশের গাছপালা কেটে ফেলার ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে মান্নান ও তার সহযোগীদের বিরোধ তৈরি হয়। আবুল হোসেনসহ এলাকার কয়েকজন এতে বাধা দেন। এর জেরে গত ২২ অক্টোবর রাতে আবুল হোসেনকে ডেকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় আবুল হোসেন গুরুতর আহত হন। তার চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে তাকে ইসলামপুর সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়িতে ফিরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালে যাওয়ার কথা থাকলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় সোমবার রাতে তাকে আবার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের ভাগ্নে ও মামলার বাদী নাজমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সরকারি সম্পত্তি ও রাস্তার পাশের গাছ বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় তার মামাকে রাতের আঁধারে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আবুল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় কাশেম ও রুবেল নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
রুহুল আমিন/অলি/
