অক্টোবর ২৭, ২০২৬ ৫:১৮ অপরাহ্ণ
খুলনার দিঘলিয়ায় দুই জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানিয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জামায়াত নেতা ও ইউপি সদস্য আজিজুর রহমানের বড় ছেলে মো. আহসানুল হক হিরো অভিযোগ করেন, গত ২৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ১০ মিনিটে দিঘলিয়ার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এম সাইফুর রহমান মিন্টু ওরফে মিন্টু মোল্লার নেতৃত্বে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রধারী শতাধিক সন্ত্রাসী পানিগাতির ইউপি সদস্য ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আজিজুর রহমান (পিতা) ও তাসনিম হাসান টুটুলের (চাচা) বাড়িতে নগ্ন হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা গুলিবর্ষণ, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। এছাড়া বাড়িতে থাকা যুবক, শিশু ও নারীদের গাঁয়েও হাত তোলা হয়। হামলাকারীদের মারধর ও সহিংসতায় তাসনিম হাসানের বড় ভাই মেহেদী হাসান গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া এম সাইফুর রহমান মিন্টু ওরফে মিন্টু মোল্লা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত- উল্লেখ করে তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার পিতা আজিজুর রহমান জামায়াত মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী। তার জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। এ কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে ভয় ও আতংক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
একটি স্বাধীন ও সভ্য সমাজে এ ধরনের হিংসাত্মক ও ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না উল্লেখ করে ভুক্তভোগী পরিবার এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সাথে হামলার সাথে জড়িত মূল হোতাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য, খুলনার দিঘলিয়ায় জামায়াত নেতা ও ইউপি সদস্য মোঃ আজিজুর রহমান এবং দিঘলিয়া শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি তাসনিম হাসানের বাড়িতে সোমবার হামলা ও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় মেহেদী হাসান (৪৬) নামে একজন আহত হয়েছে। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার পানিগাতী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
খুলনা গেজেট/এনএম
