শত্রুর কোমর ভাঙতে সেনাকে আরও অত্যাধুনিক অস্ত্রে সাজাচ্ছে কেন্দ্র। কামিকাজে ড্রোন, কামান, মিসাইল শিল্ড, হেলিকপ্টার-সহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা সামগ্রী কিনতে ২.১২ লক্ষ কোটি টাকা খরচের অনুমোদন দিল ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (DAC)। সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে এক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই বিপুল কেনার ক্ষেত্রে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্পে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রতিরক্ষা সামগ্রীর ৮২ শতাংশই কেনা হবে দেশীয় সংস্থা থেকে।
জানা যাচ্ছে, স্থল সেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনা তিন বাহিনীর জন্য কেনা হবে প্রতিরক্ষা সামগ্রী। এর মধ্যে স্থল সেনার জন্য থাকছে হাই মোবিলিটি ভেহিকল, সেলফ প্রপেল্ড ট্র্যাকড গান সিস্টেম, লাইট মাল্টি-রোল হেলিকপ্টার, স্বল্প দূরত্বের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, গান শট রেসপন্স সিস্টেম, কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেম, নজরদারি চালানোর ড্রোন, ইন্টিগ্রেটেড সার্ভেইল্যান্স ও স্ট্রাইক সিস্টেম এবং লং-রেঞ্জ কামিকাজে ড্রোন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সব অস্ত্রশস্ত্র যুদ্ধের ময়দানে সেনাকে বিশেষভাবে সক্ষম করে তুলবে, নজরদারি এবং ড্রোন হামলা থেকে ট্যাঙ্ক রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এইসব অস্ত্র।
এর পাশাপাশি নৌসেনার জন্য থাকছে, জাহাজ ধ্বংসকারী মিসাইল ঠেকাতে অত্যাধুনিক অ্যাকটিভ অফবোর্ড ডিকয় সিস্টেম এবং দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি যুদ্ধজাহাজ। এবং বায়ুসেনার জন্য থাকছে হেলিকপ্টার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, অস্ত্র এবং মোবাইল এক্স-ব্যান্ড ডপলার ওয়েদার রাডার।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এই সব অস্ত্রশস্ত্র যুদ্ধের ময়দানে সেনাকে বিশেষভাবে সক্ষম করে তুলবে, নজরদারি এবং ড্রোন হামলা থেকে ট্যাঙ্ক রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে এইসব অস্ত্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, যে সব সামরিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রশস্ত্র কেনা হচ্ছে তার ৮২ শতাংশই তৈরি করবে স্বদেশী সংস্থা। যদিও এই অনুমোদন কোনও চূড়ান্ত চুক্তি নয়। অনুমোদনের পর দরপত্র ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শুরু করবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
