Published on
:
1 min read
খেলার সময়ে এক শিশুর গলায় শক্ত করে দড়ি পেঁচানোর অভিযোগ ওঠে এক নাবালকের বিরুদ্ধে। এর পরেই মৃত্যু হয় ওই শিশুর। অভিযোগ, ছেলেকে বাঁচাতে ওই শিশুর দেহ একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে লুকিয়ে রাখে নাবালকের মা। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের ঘটনায় নাবালক ও তার মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, মাদুররাইয়ের মেলুরের কাছে থানিয়ামঙ্গলামের এই ঘটনায় মৃতের নাম মুথুভেল (৭)।রবিবার বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে গিয়েছিল সে। এর পর থেকেই তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এই নিয়ে পুলিশকে জানিয়েছিলেন মুথুভেলের মা। ওই শিশুকে খোঁজার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করে পুলিশ। এর পরের দিন , সোমবার, এলাকার একটি জরাজীর্ণ এবং পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে উদ্ধার হয় তার দেহ। মুথুভেলকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল তার পরিবার।
এর পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই তদন্তে জানা যায়, খেলার সময়ে বছর ১০-এর এক নাবালক মুথুভেলের গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে টান দিয়েছিল। সেই সময়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে সে। পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে মুথুভেলের দাঁতে আঘাত লাগে। কোনও রকমে নাবালক বন্ধুর বাড়ি গিয়ে জল চায় সে। সেখানেই মারা যায় মুথুভেল।
এর পরেই ছেলেকে বাঁচাতে এবং প্রমাণ লোপ করতে ওই নাবালকের মা পরিত্যক্ত বাড়িতে রেখে আসেন মুথুভেলের দেহ বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার এন দেবনাথন। মঙ্গলবার, এই ঘটনায় ওই নাবালকের মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। আর ওই নাবালককেও জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড-এর সামনে পেশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিকরা।
