ছবির ক্যাপশন: .
আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা ঢাকা :
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, জুলাই সনদ পাশ করানোর দায়িত্ব সরকারের, তবে সংবিধান লঙ্ঘন করে নয়। বিএনপি অনেক কিছুতে ছাড় দিয়েও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে, কিন্তু পরে দেখা গেছে সনদে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আজ রবিবার (০৯ নভেম্বর) বিকেলে কেরানীগঞ্জের জিনজিরায় উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “জামায়াতে ইসলামও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু তারা এখন নতুন করে সরকারের কাছে আট দফা দাবি তুলেছে—এটা কীভাবে সম্ভব?”
তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানটি অনেক জাঁকজমকভাবে আয়োজন করা হয়েছিল, কিন্তু বিএনপি’র স্বাক্ষরের পরেই সনদের কিছু ধারা পরিবর্তন করা হয়, যা রাজনৈতিক আস্থার পরিপন্থী।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে গয়েশ্বর বলেন, “তিনি বলেছেন রাজনৈতিক দলগুলোকে সাত দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। কিন্তু কে তাঁকে এই সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা দিলেন? জাতির জানা দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণায় ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে, রমজানের আগে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলা হলেও এখন নানা ষড়যন্ত্রে সেটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।”
ব্যক্তিগত রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আমার রাজনীতির ৪৭ বছরে আমি দলের সঙ্গে কখনো বেইমানি করিনি বলেই আজ আমি বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন পেয়েছি।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ বিএনপি নেতা আলহাজ নাজিম উদ্দিন, বদিউজ্জামান বাবুল, অ্যাডভোকেট সুলতান নাসের, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা দক্ষিণ শাখা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, উপজেলা দক্ষিণ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুজাদ্দেদ আলী বাবু, সহসভাপতি ওমর শাহনেওয়াজ, মোকাররম হোসেন সাজ্জাদ, মো. আশরাফ হোসেন, আরশাদ রহমান সফু, ইমান উল্লাহ মাস্তান, সামি উল্লাহ সামু, পাভেল মোল্লাসহ আরও অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
