জকিগঞ্জে ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
অভিযুক্ত সুমন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
-->সিলেটের জকিগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে পিয়ারা বেগম (৬৩) নামে এক নারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ হামলা করেন পিয়ারা বেগমেরই ছেলে সুমন আহমদ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) মধ্যরাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পিয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।
জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়া ও টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করেন সুমন। এ ঘটনায় আড়াই বছরের এক শিশুসহ আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর প্রধান অভিযুক্ত সুমন আহমদকে (৩২) পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পিয়ারা বেগম জকিগঞ্জ পৌর এলাকার পঙ্গবট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মৃত ফয়জুল ইসলামের স্ত্রী। পিয়ারা বেগমের ছেলে সুমন আহমদ মাদকাসক্ত ছিলেন। জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়া এবং টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুমনের বিরোধ চলছিল। গত শুক্রবার তার সৎ মা কুটিনা বেগমকে (৪৫) লাঠি দিয়ে আঘাত করেন সুমন। এতে কুটিনা বেগমের চোখে আঘাত লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর ছেলের হামলা থেকে রক্ষা করতে পিয়ারা বেগম তার সতিন কুটিনা বেগমকে তার অন্য ছেলে শাহীন আহমদের ঘরে নিরাপদে রাখেন। কিন্তু পরদিন শনিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে আবারও পরিবারের সদস্যদের কাছে টাকা দাবি করেন সুমন। একই সঙ্গে বাড়ির জায়গা-সম্পত্তি তার নামে লিখে দিতে বলেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে লাঠি দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর তিনি হামলা চালান।
এ হামলায় পিয়ারা বেগম, কুটিনা বেগম, শাহীন আহমদ (৩৮), শাহীন আহমদের স্ত্রী শাহানা বেগম (৩২) এবং তাদের আড়াই বছরের মেয়ে ইসরাত জাহান গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার মধ্যরাতে পিয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়।
মামলার বাদী শাহীন আহমদ অভিযোগ করেন, জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে দেওয়া এবং নেশার টাকার জন্য সুমন কয়েক দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের চাপ দিচ্ছিলেন। হামলায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে তার স্ত্রী শাহানা বেগম ও মেয়ে ইসরাত জাহানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সৎমা কুটিনা বেগমের চোখের আঘাতও গুরুতর। শাহীন নিজেও হামলায় মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় শাহীন আহমদ বাদী হয়ে সুমন আহমদ ও অন্য ভাই শামীম আহমদকে (৪৭) আসামি করে মামলা করেছেন।
এ ব্যাপারে জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পিয়ারা বেগম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে সুমন আহমদকে তার বসতঘর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার তাকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পিয়ারা বেগমের মৃত্যুর পর মামলায় হত্যা-সংক্রান্ত দণ্ডবিধির ধারা যুক্ত করা হবে।
ওসি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জায়গা-সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নেওয়ার জন্য কয়েক দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন সুমন। এ বিরোধ থেকেই হামলার ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুমনের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
নাঈম/
আরও পড়ুন
টেকনাফে মানবপাচার চক্রের দুই হোতা গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৭ এএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজারের টেকনাফে যৌথ অভিযান চালিয়ে মানবপাচার চক্রের দুই হোতাকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। একই অভিযানে হত্যা ও অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন অপরাধে ১০ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) টেকনাফ উপজেলার ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (১৬ এপিবিএন) আওতাধীন বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে ১৬ এপিবিএনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী ও প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেন।
১৬ এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মানবপাচার চক্রের অন্যতম হোতা ও একাধিক মামলার আসামি মো. কবির ওরফে ডাক্তার কবির (৬৫) এবং তার সহযোগী মো. ইলিয়াস ওরফে ইলিয়াস মেম্বারকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়। তারা দুজনই টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর সময় আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছে একটি নৌকা ডুবে যায়। ওই নৌকাটি পাঠানোর সঙ্গে গ্রেপ্তার কবির ও ইলিয়াস জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। পরে ড্রাম ও কাঠের টুকরো ধরে ভাসতে থাকা কয়েকজনকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড।
অন্যদিকে, একই দিন নয়াপাড়া নিবন্ধিত রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে হত্যা ও অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আবু তৈয়ব (৩৬) নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। একটি মামলায় তার চার বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা হয়েছিল।
যৌথ অভিযানের সময় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারি আদেশ অমান্য, মাদকসেবন, বাবা-মাকে মারধর এবং ক্যাম্পে অবৈধভাবে প্রবেশসহ বিভিন্ন অপরাধে আরও ১০ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজনকে ছয় মাস করে, একজনকে পাঁচ মাস এবং দুজনকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চারজনকে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
টেকনাফ ১৬ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
শাহীন টেকনাফ/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
লক্ষ্মীপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৪ এএম
নিহত জাকির হোসেন জুয়েল ছবি: খবরের কাগজ
-->লক্ষ্মীপুরে জাকির হোসেন জুয়েল (৩৫) নামে যুবককে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে তিনি এলাকায় মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগানে এ ঘটনা ঘটে।
মাদক কারবার নিয়ে বিরোধের জের ধরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহত জুয়েল পূর্ব নন্দনপুর এলাকার তোফায়েল আহমেদের ছেলে। তার বিরুদ্ধে থানায় অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে জুয়েল মাদক কারবারীর সঙ্গে জড়িত রয়েছে। সম্প্রতি মাদক মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগ শেষে জামিনে বের হয়ে আসেন। মাদক কারবারির বিরোধ নিয়ে জুয়েলকে গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার পর বাগানে মরদেহ ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রাত ১টার দিকে সদর উপজেলার দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের ডিপুটি বাড়ি এলাকার একটি সুপারি বাগানে জুয়েলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ‘কয়েকদিন আগে জুয়েল মাদক মামলায় জামিন পেয়েছিল। মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিতসহ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
রফিকুল ইসলাম/অলি/
আরও পড়ুন
ফেনীতে মেয়ের দায়ের কোপে প্রাণ গেল মায়ের
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ এএম
আপডেট: ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৮ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ফেনীর দাগনভূঞায় মানসিক ভারসাম্যহীন মেয়ের ধারালো দায়ের কোপে সেতারা বেগম (৬৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মেয়ে রানু আক্তারকে (৪২) আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের ডেউলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহত সেতারা বেগম ওই গ্রামের হোসেন মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে রানু আক্তার অসংলগ্ন আচরণ করতে শুরু করেন। সম্প্রতি তিনি তার স্বামীকেও মারধর করেন। স্বামীকে মারধরের ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তাকে মানসিক চিকিৎসার জন্য কিছুদিন আগে বাড়িতে নিয়ে আসেন। রবিবার রাতে হঠাৎ রানু ঘরের অন্যদের একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে ধারালো দা দিয়ে তার মা সেতারা বেগমকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে রানু দা হাতে নিয়ে ঘরের এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে দৌড়াতে থাকেন ও দরজা ভেতর থেকে আটকে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে দাগনভূঞা থানা-পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ বসতঘরের লোহার দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজিম নোমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘরের দরজা ভেঙে নারীর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপের ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দা-সহ তার মেয়েকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয়রা তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানালেও বিষয়টি পুলিশ গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তোফায়েল নিলয়/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
মোহাম্মদপুরে পুলিশের অভিযানে ১৩ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী অভিযোগে নারী, পুরুষ ও কিশোরসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ রাতে এই অভিযান চালায়। এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ছিনতাই হওয়া চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে ডিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার নিয়াজ মেহেদী জানান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওই ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- শান্ত হোসেন শাহিন (২১), ফাহিমুল হাসান আলিফ (২২), আবির ব্যাপারী শান্ত (২৩), রাজিব (২৫), মো. আরাফাত রহমান (২০), হাসনাইন হাসান (২৬), মো. নাঈম (২৫), নাঈম ওমর (২৩), মো. স্বপন (১৯) ও খুশী আক্তার (১৯)। এছাড়া বয়স অনুসারে তিনজন শিশু বা কিশোরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে হাসনাইন হাসানের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগর থানায় ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে। চক্রটি পথচারী, বাসযাত্রী, রিকশার আরোহী এবং হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের স্বজনদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোবাইল ফোন, টাকা-পয়সাসহ মূল্যবান সামগ্রী ছিনতাই করত। এ ছাড়া অসতর্কতার সুযোগ নিয়ে নারী পথচারীদের ব্যাগ থেকেও মোবাইল ফোন ও অন্য সামগ্রী হাতিয়ে নিত তারা।
আলমগীর হোসেন/এএফ
