ছবি: প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের স্বীকৃতি ছাড়াই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কাউন্সিলের স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঝিনাইদহের মুজিব চত্বরসংলগ্ন এপেক্স ভেটেরিনারি মেডিকেল ইনস্টিটিউটে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদি হাসান। এ সময় মামলার প্রসিকিউটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা চিকিৎসক মিনাক্ষী নাগ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও প্রয়োজনীয় স্বীকৃতিসংক্রান্ত বিষয়গুলো যাচাই করা হয়।
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি বা অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটিতে ভেটেরিনারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ও অভিযানের সময় সামনে আসে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অর্থদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেন।
অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের স্বীকৃতি অর্জন না করা পর্যন্ত সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি কার্যক্রম চালাতে পারবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদ খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বীকৃতি ও প্রযোজ্য বিধিবিধান অনুসরণ করা প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া প্রশিক্ষণ পরিচালিত হলে প্রশিক্ষণার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সনদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ কারণে প্রশিক্ষণপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমোদন নিশ্চিত করা এবং নিয়মিত তদারকি বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে প্রতিষ্ঠানটি কবে থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল, কতজন প্রশিক্ষণার্থী সেখানে অধ্যয়নরত রয়েছেন এবং স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য কোনো আবেদন করা হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্য পাওয়া গেলে আরও তথ্য জানা যাবে।
মাতৃভূমির খবর

