প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:০০ পিএম
আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের সিদ্ধান্ত গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয় দৈনিকে এ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
‘আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ প্রসঙ্গে’ শীর্ষক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গত ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত কাউন্সিল সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে এলএলবি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সর্বোচ্চ বয়সসীমা আগামী ১ জানুয়ারি ২০৩০ থেকে কার্যকর হবে।
এ তারিখ থেকে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদন গ্রহণ, প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই এবং তালিকাভুক্তিসংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা অনুসরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছিলেন, আমরা সম্মিলিতভাবে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এটি শুধু আইনজীবীদের স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থেও। বিভিন্ন বয়সের মানুষ আইন পেশায় প্রবেশ করায় আইন অঙ্গনে টাউট শ্রেণির মানুষের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে বলে আমি মনে করি।
এই টাউটিংয়ের সঙ্গে কিছু বয়স্ক মানুষ জড়িত থাকেন, যারা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে নানা অভিজ্ঞতা অর্জন করে আসেন। আমরা আইন অঙ্গনকে এ ধরনের মানুষ থেকে মুক্ত করতে চাই।
৫০ থেকে ৫৫ বছর বয়সে এসে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা যদি এ পেশায় চলে আসেন, তাহলে আইন পেশা কি দুর্নীতিবাজদের ডাম্পিং স্টেশন?