‘কফি উইথ করণ’ শোয়ে যোগ দেওয়ার পর থেকেই চর্চায় রশ্মিকা মন্দানা, বিজয় দেবেরাকোন্ডা। তবে করণ জোহরের ‘গুগলি’র মুখে সেলেব দম্পতির খুনসুটি-রোম্যান্স নিয়ে যত না চর্চা, তার থেকেও বেশি কটাক্ষ, সমালোচনার ঝড়! কেন? কারণ আড্ডার মাঝেই বিজয় জানিয়েছিলেন, তিনি রশ্মিকাকে একশোবার বিয়ের প্রস্তাব দিতে বলেছিলেন। আর দক্ষিণী সুপারস্টারের এই মন্তব্য মোটেই ভালো ঠেকেনি দর্শকমহলের। তাঁদের দাবি, প্রকাশ্যেই রশ্মিকা মন্দানাকে ‘ছোট’ করেছেন তিনি। সেকারণেই বর্তমানে বিতর্কের শিরোনামে বিজয়। ‘টক্সিক, অ্যানিম্যাল’ বলে কটাক্ষ করা হচ্ছে তাঁকে। কেউ বা রশ্মিকার জন্য হাহুতাশ করছেন! ট্রোল-মিমে বিপর্যস্ত হয়ে এমন পরিস্থিতি যে এবার নাস্তানাবুদ হয়ে সাইবার শাখায় অভিযোগ দায়ের করতে হল।
যেখানে দাবি করা হয়েছে, ক্যামেরার সামনে স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডার মন্তব্যে নাকি রশ্মিকার এতটাই খারাপ লেগেছে যে, ‘কফি উইথ করণে’র সেটে নাকি তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। যার জন্যে ১ ঘণ্টা শুটিংও বন্ধ রাখতে হয়।
‘কফি উইথ করণ’-এর ওই পর্ব দেখে নেটদুনিয়ার মত, রশ্মিকা বিজয়কে ভীষণ ভালোবাসলেও বিজয় কিন্তু শুধু নিজেকেই ভালোবাসেন। এরপরই তারকাদম্পতিকে নিয়ে নেটভুবনে ট্রোল-মিমের পাহাড়। প্রশ্ন উঠেছে, বিজয় দেবেরাকোন্ডার মন-মানসিকতা নিয়েও। একাংশের দাবি, রশ্মিকা বিজয়ের প্রেমে এতটাই অন্ধ যে স্বামীর নারীবিদ্বেষী মনোভাবও তাঁর চোখে পড়ে না। বেশ কিছু সোশাল মিডিয়া পেজে তো দক্ষিণের সুপারস্টার দম্পতিকে নিয়ে ভুয়ো খবরও ছেয়ে গিয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ক্যামেরার সামনে স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডার মন্তব্যে নাকি রশ্মিকার এতটাই খারাপ লেগেছে যে, ‘কফি উইথ করণে’র সেটে নাকি তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। যার জন্যে ১ ঘণ্টা শুটিংও বন্ধ রাখতে হয়। যেসব বিভ্রান্তিকর খবরের জেরে আরও বেশি করে রোষানলে পড়তে হচ্ছে বিজয়-রশ্মিকাকে। এহেন ট্রোল-কটাক্ষে তিতিবিরক্ত হয়েই এবার হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম শাখার দ্বারস্থ তারকা দম্পতির টিম।
সূত্রের খবর, বিজয়-রশ্মিকার ম্যানেজার পি নিশান্ত কুমার সোশাল মিডিয়ার ক্রমাগত হেনস্তার জন্য সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। যে অভিযোগনামায় দাবি করা হয়েছে, ‘সমাজ মাধ্যমে বিজয় ও রশ্মিকাকে নিয়ে মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর বিষয়বস্তু ছড়ানো হচ্ছে।’ পাশাপাশি সেসব ভুয়ো তথ্য় সংক্রান্ত বেশ কিছু লিংকও প্রমাণ হিসেবে তদন্তের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে। বিজয়-রশ্মিকার টিমের তরফে সাফ জানানো হয়েছে, তাঁরা বাক-স্বাধীনতার বিরোধী নন, কিন্তু বিভ্রান্তিকর তথ্য় ছড়ানো মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেই মর্মেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা।
