অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, ভাজাভুজি খাওয়ার প্রবণতা— শরীরের প্রতি অবহেলার প্রভাব পড়ে কিডনির উপরে। সে কারণে সাবধানে থাকতে বলেন চিকিৎসকরা। জল কম খাওয়া, দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্রাব চেপে রাখা এবং অপরিচ্ছন্ন শৌচাগার ব্যবহার করলে প্রস্রাবের সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। যদি প্রস্রাবের সংক্রমণ বার বার হতে থাকে, তা হলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এই সমস্যা এড়াতে কেবল খাওয়াদাওয়া নিয়ন্ত্রণ
পদ্ম মৎস্যাসন
ম্যাটের উপর চিত হয়ে শুয়ে দুই পা টানটান করে রাখুন। দুই হাত থাকবে পাশে। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। এ বার ওই ভাবে শুয়ে থেকেই দুই পা মুড়ে পদ্মাসনের ভঙ্গি করতে হবে। ডান পা বাঁ ঊরুর উপর এবং বাঁ পা ডান ঊরুর উপর রাখতে হবে। পিঠ সামান্য তুলে ধনুকের মতো ভঙ্গি করতে হবে। পায়ের ভঙ্গি বদলালে চলবে না, পা কিন্তু পদ্মাসনের ভঙ্গিতেই থাকবে। দুই হাত দিয়ে দুই পায়ের বুড়ো আঙুল টেনে ধরতে হবে। ওই ভঙ্গিতে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে ও ছাড়তে হবে। ৩০ সেকেন্ড করে ৪-৫ সেটে আসনটি অভ্যাস করতে হবে।
বিপরীত নমস্কার বদ্ধ কোণাসন
ম্যাটের উপর পিঠ সোজা করে বসুন। পায়ের পাতা মুখোমুখি প্রণামের ভঙ্গিতে রাখুন। দুই হাত পিছনে পিঠের দিকে নিয়ে যান। দুই হাত মুঠো করে রাখতে হবে। লম্বা শ্বাস নিয়ে সামনে দিকে ঝুঁকে মাথা দিয়ে মাটি স্পর্শ করুন। শুরুর দিকে এই আসন করতে অসুবিধা হতে পারে। তাই পেট মুড়ে সামনের দিকে ঝুঁকতে না পারলে সোজা হয়ে বসে থাকতে পারেন। এই অবস্থায় থাকুন মিনিট দুয়েক। তার পর আবার আগের অবস্থানে ফিরে যান।
নৌকাসন
এই আসনটি করতে প্রথমে চিত হয়ে শুয়ে পড়ুন। এর পর শ্বাস নিতে নিতে নিতম্ব ও কোমরে ভর দিয়ে দেহের উপরের অংশ ও পা একই সঙ্গে উপরের দিকে তুলুন। আপনার বাহু ও পায়ের পাতা একই দিকে থাকবে। নৌকা বা ইংরেজি এল আকৃতির মতো অবস্থায় থাকুন ১০ থেকে ৩০ সেকেন্ড। ধীরে ধীরে নিশ্বাস ছাড়তে ছাড়তে প্রথম অবস্থায় ফিরে আসুন। প্রতি দিন ৩-৪ বার এই আসনটি করবেন।
