ফাইল চিত্রছবি: সোশ্যাল মিডিয়া
Published on
:
1 min read
প্রয়াত হলেন বর্ষীয়ান চিকিৎসক-অধ্যাপক অমিয়কুমার হাটি, বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। রেনাল ফেলিওয়ের কারণে সোমবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে বাড়িতেই মারা গিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে বরাহনগর রামকৃষ্ণ মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। ডাঃ অমিয়কুমার হাটি জনস্বাস্থ্য কমিটি ও পিপলস রিলিফ কমিটির প্রাক্তন সম্পাদক ছিলেন। স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন এর প্রাক্তন অধিকর্তাও ছিলেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন।
চিকিৎসাবিজ্ঞানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন ডাঃ অমিয়কুমার হাটি। মেডিক্যাল এন্টোমোলজি (Medical Entomology) এবং প্যারাসাইটোলজি (Parasitology) বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। পাশাপাশি, ক্যানাডার ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালগারি এবং মালয়েশিয়ার লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি কলেজে ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবেও কাজ করেছেন।
গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তাঁর। বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের সাহায্য প্রাপ্ত একাধিক প্রকল্পের প্রিন্সিপ্যাল ইনভেস্টিগেটর ছিলেন তিনি। চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে একাধিক বই লিখেছেন বর্ষীয়ান চিকিৎসক। চিকিৎসা ও শিক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটস গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন তিনি।
জনস্বাস্থ্য কমিটি সম্পাদক ডাঃ গোপাল দাস বলেন, ‘মাটির মানুষ ছিলেন ডাঃ অমিয়কুমার হাটি। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার মতো অসুখ নিয়ে সচেতনতা প্রসারে তাঁর অসামান্য অবদান ছিল। জনস্বাস্থ্য নিয়ে বহু কাজ করেছেন। ওঁর ব্যবহারের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন।’