দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন
দেশের অবিরাম অগ্রযাত্রায় ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্রপ্রহরী হয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয়ে ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে ‘দৈনিক নয়া দিগন্ত’ পরিবার।
দুঃসময়ে সাহস জুগিয়েছে নয়া দিগন্ত --- রিজভী
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের অবিরাম অগ্রযাত্রায় ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের অতন্দ্রপ্রহরী হয়ে ওঠার দৃঢ় প্রত্যয়ে ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করেছে ‘দৈনিক নয়া দিগন্ত’ পরিবার। এই আনন্দঘন ক্ষণকে বরণ করতে রাজধানীর টিকাটুলিস্থ নয়া দিগন্ত কার্যালয় দিনভর মুখরিত ছিল উৎসবের রঙে ও উষ্ণতায়।
দিনের প্রথম সূর্যোদয়ের পরই কেক কেটে শুরু হয় শুভসূচনা। সময়ের সাথে সাথে সেই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকের আঙিনায়। ক্ষমতাসীন দল বিএনপি, বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীসহ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্য, সুশীল সমাজের প্রথিতযশা প্রতিনিধি, বরেণ্য লেখক, কবি-সাহিত্যিক, নিবেদিতপ্রাণ পাঠক এবং নয়া দিগন্ত পরিবারের চিরচেনা মুখগুলোর পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে কার্যালয় প্রাঙ্গণ। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে এক অনন্য মিলনমেলায় রূপ দেয়।
দিনভর চলে সৌহার্দ্য ও শুভেচ্ছার অনুপম আদান-প্রদান। কেউ এসেছিলেন রক্তিম ফুলে শুভেচ্ছা জানাতে, কেউ বা হাতে মিষ্টির বাক্স নিয়ে হাজির হয়েছিলেন ভালোবাসার প্রমাণ দিতে। অতিথিদের আপ্যায়নের উষ্ণতায় পিছিয়ে ছিল না আয়োজকরাও; ভালোবাসার প্রতিউত্তরে অতিথিদের মিষ্টিমুখ করানোর মধ্য দিয়ে রচিত হয় এক সুদৃঢ় সৌহার্দ্যের সেতুÑযেখানে কলমের কালির সাথে মিশে যায় হৃদয়ের সুনিবিড় টান।
পাঠকদের ভালোবাসায় টিকে আছে নয়া দিগন্ত- ডা. শফিকুর রহমান: কেককাটা অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেন, আমরা শুনি, সব সরকারের সময় সংবাদপত্র পূর্ণ স্বাধীন। আবার যখন কোনো উল্টাপাল্টা কিছু হয়, যোগাযোগ করে বলে যে প্রচ- চাপ। এই স্বাধীনতা আর চাপÑদুইটা তো একসাথে যায় না। ওই অদৃশ্য চাপটা যতদিন অব্যাহত থাকবে, কোনো অবস্থাতেই সংবাদপত্র বা সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন বলা যাবে না। তিনি বলেন, যে দেশে সংবাদমাধ্যম কালোকে কালো বলতে পারে নির্দ্বিধায়, সাদাকে সাদা বলতে পারে, সেই দেশ অবশ্যই ভালো দেশ এবং একটি সভ্য দেশ। আর যেখানে এটা বলতে পারে না, বুঝতে হবে যে আমরা পুরোপুরি এখনো সভ্য হতে পারিনি। আমরা পারিনি বলে পারব নাÑএই সূত্রে বিশ্বাস করতে চাই না। অতীতে যা পারিনি, ভবিষ্যতে তা আমাদের পারতে হবে।
নয়া দিগন্তের প্রতিষ্ঠার পেছনে অবদান রাখা ব্যক্তিদের স্মরণ করে জামায়াত আমীর বলেন, আমি আমার বক্তব্যের সূচনায় গভীর শ্রদ্ধায় ও ভালোবাসায় স্মরণ করছি এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার যিনি স্বপ্নসারথি ছিলেন, মীর কাসেম আলীকে। আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদা দান করুন। তার সাথে আরো যে সব যোদ্ধা একত্রিত হয়ে লড়াই করেছিলেন এবং যারা দুনিয়া থেকে চলে গেছেন, আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। যারা বেঁচে আছেন, আমি তাদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটি একটা চ্যালেঞ্জ নিয়ে ময়দানে এসেছিল। নাম দিয়েছিল ‘নয়া দিগন্ত’। অর্থাৎ মুক্তির একটা দিগন্ত উন্মোচন হবে। চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে এবং অনেক অবৈধ চাপ সহ্য করতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি টিকে আছে জনগণের ভালোবাসায়। আমরা প্রত্যাশা করি, এই প্রতিষ্ঠান দেশ ও জনগণের কল্যাণে তার নিজস্ব জায়গা থেকে সমাজের চতুর্থ স্তম্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে সঠিক ভূমিকা পালন করে চলবে, ইনশাআল্লাহ।
অতীতের কারাবাসের স্মৃতিচারণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারি দলের আমাদের একজন প্রখর সহযোদ্ধা এখানে উপস্থিত। ২০১৩ সালে একসাথে আমরা পাশাপাশি রুমে কাশিমপুর গেস্ট হাউসে ছিলাম। সকালবেলা আমাদের হাঁটাহাঁটি একসাথে হতো। মাঝেমধ্যে একটু কথা বিনিময়ের সুযোগ পেতাম। আবার আমরা একটু বেশি মিশলে তখনকার জালিম প্রশাসন এটা পছন্দ করত না। সেই সীমাবদ্ধতা আমাদের ছিল। কাজেই আমরা আসলে গোটা জাতির অগ্রভাগে থাকা সৈনিক হিসেবে সকলেই তখন মজলুম ছিলাম।
তিনি বলেন, মজলুমের মিলনমেলার এই বাংলাদেশে আমরা চাই না আর কেউ নতুন করে জুলুমের শিকার হোক। আর এটা তখন সম্ভব, যখন ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে সংবাদমাধ্যম চার চোখ দিয়ে দেখবেÑবাইরের দুটি চামড়ার চোখ এবং ভেতরের দুটি অন্তর্দৃষ্টি। এই চারটা চোখ যখন সমানভাবে কার্যকর হবে, তখন সরকারি দল ও বিরোধী দল সবাই সোজা হয়ে চলতে বাধ্য হবে। আর এই দুই অংশ যখন সোজা হয়ে চলবে, দেশ তখন ভালো থাকবে এবং এগিয়ে যাবে। জামায়াত আমীর বলেন, আমরা সেই মানুষের প্রত্যাশার বাংলাদেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ, ন্যায়-ইনসাফের বাংলাদেশ, একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ এবং একটি শোষণ নয়Ñসুশাসনযুক্ত বাংলাদেশ কামনা করি।
জলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেয়া তরুণদের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে জামায়াত আমীর বলেন, জুলাইয়ে যে যুবসমাজ বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করেছে, নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের আকাক্সক্ষা পূরণে আমরা সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে কাজ করব। সংবাদপত্র আমাদের পাশে থাকবে, আমরা সংবাদপত্রের সাথে থাকব। নয়া দিগন্তের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নয়া দিগন্তকে ধন্যবাদ। আমি শুভকামনা করছি উত্তরোত্তর তার প্রবৃদ্ধি এবং তার সৎ সাহসের বিকাশের জন্য। আল্লাহর দরবারে দোয়া করছি, তারা যেন নির্দ্বিধায়, নিঃসংকোচে সত্যকে তুলে ধরতে পারেন।
দুঃসময়ে সত্য প্রকাশ করে গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস জুগিয়েছে নয়া দিগন্ত --রুহুল কবির রিজভী: অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে যখন গণতান্ত্রিক সংকট ও দুঃশাসন বিরাজ করছিল, যখন মুক্তভাবে কথা বলার কোনো সুযোগ ছিল না, তখন নয়া দিগন্ত সত্য প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছিল। নানা বাধা-বিপত্তি, শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি ও চড়াই-উতরাই অতিক্রম করে পত্রিকাটি গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিগত সময়ে দিনে কিংবা রাতে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের যখন গুম বা আটক করে নিয়ে যাওয়া হতো, তখন নয়া দিগন্তের অনলাইন সংস্করণে তাৎক্ষণিকভাবে সেই সংবাদ প্রকাশ করা হতো। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরবর্তী সময়ে তাদের হেফাজতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করতে বাধ্য হতো। এভাবে অনেক নেতাকর্মীর জীবন রক্ষা পেয়েছে এবং বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারত না। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নয়া দিগন্ত সত্য প্রকাশের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। নানা বাধা ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে পত্রিকাটি তার পথচলা অব্যাহত রেখেছে।
নয়া দিগন্তের সাহসী সাংবাদিকতার প্রশংসা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, শাসকগোষ্ঠীর চোখরাঙানি ও নানা প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে পত্রিকাটি গণতন্ত্রকামী মানুষকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে। গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় নয়া দিগন্তের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে ভয়হীন ও শঙ্কামুক্ত। সেখানে কোনো নাগরিক কিংবা সংবাদকর্মীকে ভয়ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে দিন কাটাতে হবে না। মানুষের অধিকার রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনে নয়া দিগন্ত অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সততা ও সাহসিকতার সঙ্গে ভূমিকা পালন করবে।
মোশাররফ হোসেন: দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘নয়া দিগন্ত সত্যের সাথে লড়াই করছে।’ তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে পত্রিকাটি সংবাদ পরিবেশন ও মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান ধরে রেখে পাঠকদের কাছে নির্ভরযোগ্য সংবাদ পৌঁছে দেয়াই একটি সংবাদমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব। নয়া দিগন্তও সেই লক্ষ্য সামনে রেখে তার পথচলা অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে নয়া দিগন্ত নির্যাতিত ছিল। নয়া দিগন্তের লিখনির মধ্যে সততা রয়েছে।
মোবারক হোসাইন: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন স্মৃতিচারণ করে বলেন, নয়া দিগন্তের স্বপ্নদ্রষ্টা মীর কাসেম আলী ভাইয়ের সাথে আমি দীর্ঘ বছর চাকরি করেছি। একেবারে সূচনালগ্নে তার সাথে ছিলাম। জেলখানায় তার সাথে সর্বশেষ ঈদের নামাজ পড়লাম, তার শহীদ হওয়ার কিছুদিন আগে। ওই সময় তিনি যে বক্তব্য দিয়েছিলেন, তা আমাদের সবার জন্য স্মরণীয়। মোবারক হোসাইন বলেন, আমি কাঁদছিলাম। তিনি আমার কাঁধে হাত দিয়ে অনেক জোরে বললেন, ‘তুমি তো সাহসী মানুষ, কেন কাঁদছ? কিছুই হবে না, হলেই বা কী, তোমরা তো আছো।’ এই বক্তব্যটি আমি অনেক জায়গায় দিয়েছি, আজ এখানেও দিলাম। তিনি বলেন, নয়া দিগন্ত ২২ বছর পার করেছে অনেক ইতিহাসকে সামনে রেখে এবং অনেক ঘটনাবহুল যাত্রায়। আমরা আশা করব, আগামীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে অবস্থা বিরাজ করছে, সেখানে নয়া দিগন্ত রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি আরো বলেন, আমরা জানিয়ে দিতে চাই, আপনাদের সাথে এই জাতি আছে। ইনশাআল্লাহ, কোনো শক্তি আপনাদের অগ্রযাত্রা রোধ করতে পারবে না। এ সময় তিনি নয়া দিগন্তের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করেন।
নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলীর সার্বিক নির্দেশনায় কেক কাটা ও দিনভর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, বাংলাদেশ লেবারপার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারি সেক্রেটারি ড. ফখরুদ্দিন মানিক ও ইয়াসিন আরাফাত, প্রচার সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকার, মহানগরী দক্ষিণের সহকারি প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, ইসলামী ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শামসুদ্দিন পারভেজ, মহাসচিব আবু হানিফ, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক আব্দুল আউয়াল সরকার, সুশীল ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ জাহিদ, নয়া দিগন্তের জয়েন্ট নিউজ এডিটর খায়রুল বাসার, সিটি এডিটর আশরাফুল ইসলাম, চিফ রিপোর্টার আবু সালেহ আকন, দৈনিক সংগ্রামের জেনারেল ম্যানেজার আবুল হোসেন চৌধুরী, বার্তা সম্পাদক সামসুল আরেফীন, চীফ রিপোর্টার নাছির উদ্দিন শোয়েব প্রমুখ।
