বিজয়ার উদ্যাপন চলছে। ফলে জোরকদমে চলছে ‘চর্বচোষ্য’ খাওয়া দাওয়া। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত খাবার খাওয়া দাওয়ার পরে রাতে ভারী হয়ে থাকছে পেট। অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা বা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটার মতো সমস্যা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। সামাজিকতার খাতিরে সব সময় খাবারে না বলা সম্ভব হয় না। তবে এমন দিনে কয়েকটি পূর্বপ্রস্তুতি নিলে রাতের অস্বস্তি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
১. হালকা হাঁটাচলা ও সোজা হয়ে বসা
খাওয়ার পরপরই শুয়ে বা হেলে বসলে পাকস্থলির অ্যাসিড ও খাবার সহজে খাদ্যনালীতে উঠে আসে। তাই খাওয়ার পর অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট স্বাভাবিক গতিতে হাঁটাচলা করা জরুরি। এটি খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে। এছাড়া রাতে ঘুমোনোর আগে পর্যন্ত সোজা হয়ে বসার ভঙ্গি বজায় রাখলে পাকস্থলির ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না।
২. সহনীয় গরম জল বা জোয়ান-আদা চা
সন্ধ্যা বা রাতের খাবারের পর ফ্রিজের ঠান্ডা জল বা নরম পানীয় পান করেন অনেকেই। তার পরিবর্তে আধা গ্লাস হালকা গরম জল ধীরে ধীরে পান করুন। চাইলে জলে সামান্য জোয়ান, আদা বা পুদিনা পাতা ফুটিয়ে নিয়ে খেতে পারেন। আদা ও জোয়ানের ভেষজ গুণ পাকস্থলির এনজাইম নিঃসরণ বাড়ায়, ভেতরের গ্যাস দূর করে এবং পেট ফাঁপা ভাব দ্রুত কমিয়ে আনে।
৩. রাতের খাবার বাদ, বিছানায় যাওয়ার আগে সময় নিন
যেহেতু সন্ধ্যায় অতিরিক্ত খাওয়া হয়েছে, তাই রাতে পুনরায় কোনও ভারী বা নিয়মিত খাবার না খাওয়াই ভাল। খুব বেশি খিদে পেলে এক কাপ হালকা সুপ খাওয়া যেতে পারে। শোওয়ার আগে একটু সময় নেওয়া ভাল। খাওয়ার অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যান। শোয়ার সময় মাথার অংশ ৩-৪ ইঞ্চি উঁচু রাখলে রাতে বুক জ্বালা বা অস্বস্তি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
