Published on
:
1 min read
এই সময়, জলপাইগুড়ি: খাতায়কলমে এখনও শীত পড়েনি। তবে হালকা হিমেল বাতাসে শীতের আমেজ। এরই মধ্যে রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া থেকে পরিযায়ী পাখিরা আসতে শুরু করেছে জলপাইগুড়ি শহরের আশপাশের খালবিলে, পুকুরে। শুধু বিদেশ থেকে নয়, ভারতের লাদাখ, উত্তর সিকিম থেকেও পরিযায়ীরা এসে ডানা ঝাপটাচ্ছে জলপাইগুড়িতে। অন্য বছর সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অতিথিরা আসতে শুরু করে। তবে এ বার কিছুটা আগেই তারা চলে এসেছে।
পক্ষীপ্রেমীরা এ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করলেও পাখিদের কলকাকলিতে খুশি স্থানীয়রা। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন তিস্তা নদীর চর থেকে ১০ নম্বর স্পার পর্যন্ত সারিবদ্ধ ভাবে বসে থাকতে দেখা যাচ্ছে পরিযায়ীদের। কখনও আবার নদীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে উড়ে বেড়াচ্ছে তারা। গজলডোবাতেও একই ছবি। কমন পোচার্ড, রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড, টাপটেড ডাক, ক্রেস্টেড গ্রেব, লং লেগ বাজার্ড-সহ নানা প্রজাতির পাখির দেখা মিলছে।
জলপাইগুড়ি সায়েন্স অ্যান্ড নেচার ক্লাবের সম্পাদক রাজা রাউত বলেন, 'পাখিরা যে পাহাড়ি এলাকা থেকে আসে সেই জায়গায় শীত পড়ে গিয়েছে। তাই তারাও আসতে শুরু করেছে।' পাখিদের যাতে কোনও অসুবিধা না-হয় তার জন্য এ বার আগে থেকেই সতর্ক স্থানীয় বাসিন্দা, প্রকৃতিপ্রেমী সংগঠনগুলি। পরিযায়ীদের বাঁচাতে শোভাবাড়ি ইটভাটা এলাকার বাসিন্দারা অপরিচিতদের আনাগোনায় নজর রাখছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা হৃতেশ সরকার বলেন, 'গত বছর কিছু পরিযায়ী পাখি মেরে ফেলা হয়েছিল। এ বছর তাই সতর্ক আছি।' আর এক বাসিন্দা রবি রায় বলেন, 'এলাকার বড় বড় পুকুরে প্রতি বছর নভেম্বরের মাঝামাঝি পরিযায়ীরা আসে। কিছু পাখি এই এলাকায় বাসা তৈরি করে, বাচ্চা ফোটায়। যে কারণে, জায়গাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা করছি।'
