দেবতা এবং অসুরদের বহু চেষ্টার পর অমৃতের কলস নিয়ে সমুদ্র থেকে উঠে এসেছিলেন ধন্বন্তরী। সেই থেকেই এই দিনের নাম হয় ‘ধনতেরস’।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৫৫
ধনতেরসের দিন সোনা বা কোনও মূল্যবান দ্রব্য কেনার প্রচলত আজকের নয়। কথিত, এই বিশেষ দিনে সোনা কিনলে নাকি সংসারে বৃদ্ধি পায় ধন সম্পদ। কিন্তু জানেন কি, এই ‘ধনতেরস’-এর সঙ্গে কোনও সম্পর্কই নেই ধন বা সম্পদের।
০২ / ১০
দীপাবলির ঠিক দুই দিন আগে পালিত হওয়া এই বিশেষ দিন বহু আগেই হয়ে উঠেছে বাঙালির উৎসবের অঙ্গ। এই ‘ধনতেরস’ শব্দটির যোগসূত্র রয়েছে পৌরাণিক আখ্যান, সমুদ্র মন্থনের সঙ্গে। কিন্তু কী ভাবে?
০৩ / ১০
এর জন্য ঘেঁটে দেখতে হবে প্রাচীন ইতিহাস। অমৃত প্রাপ্তির উদ্দেশ্যে ক্ষীরসাগর মন্থন করেছিলেন দেবতা এবং অসুরগণ। কথিত, মন্দার পর্বত মন্থনদণ্ড হিসাবে এবং শিবের স্কন্ধসঙ্গী নাগরাজ বাসুকী মন্থনরজ্জু হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এ ক্ষেত্রে।
০৪ / ১০
আর বিষ্ণুর কূর্ম অবতার তার দেহের উপর মন্দার পর্বতকে ধারণ করেছিলেন।
০৫ / ১০
কেবল অমৃতই নয়, এই সমুদ্র মন্থনে উঠে এসেছিলেন রম্ভা, মেনকা-সহ প্রমুখ অপ্সরারা।
০৬ / ১০
সমুদ্র মন্থনের কারণে যিনি অমৃত পাত্র হাতে উঠে এসেছিলেন, তিনি ছিলেন ধন্বন্তরি।
০৭ / ১০
কিন্তু কে এই ধন্বন্তরি? তিনি ছিলেন দেবতাদের চিকিৎসক তথা দেবদৈত্য।
০৮ / ১০
দেবতা এবং অসুরদের বহু চেষ্টার পর তিনিই একমাত্র ছিলেন, যিনি সমুদ্র থেকে উঠে এসেছিলেন অমৃতের কলস নিয়ে। সেই থেকেই এই দিনের নাম হয় ‘ধনতেরস’।
০৯ / ১০
কাজেই ‘ধনতেরস’-এর এই বিশেষ দিনটি কেবল ধনকামনার জন্যে পালিত হলেও, আদপে ‘ধনতেরস’ কিন্তু স্বাস্থ্যকামনার দিন। মূল্য সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনাই মূলত এই দিনের মাহাত্ম্য।
১০ / ১০
যদিও এই সমুদ্র মন্থনে উঠে এসেছিলেন দেবী লক্ষ্মীও। ধন ও সৌভাগ্যের দেবীর সঙ্গে সংযোগ রেখেই ‘ধনতেরস’কে গণ্য করা হয়েছে ধনকামনার দিন হিসেবে। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)
পরবর্তী গ্যালারি
একসঙ্গে ৪টি, নাকি আলাদা ৯টি? কালীপুজোর রাতে ক’টি প্রদীপ জ্বালালে সংসারে আসবে সুখ-সমৃদ্ধি?
হিন্দু শাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর নেপথ্যেও রয়েছে বেশ কিছু কারণ। এই যেমন জোড় সংখ্যাকে স্থিতিশীল বা স্থির শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪১
০১ / ১১
সামনেই কালীপুজো, আলোয় আলোয় ভরে উঠবে চারিদিক। প্রদীপ থেকে মোমবাতি কিছুই বাদ যাবে না। তবে জানেন কি প্রদীপ জ্বালানোরও রয়েছে কিছু নিয়ম।
০২ / ১১
বাস্তু বলছে, কালীপুজোয় নাকি বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানো হয়। কিন্তু কেন? তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কিছু কম নয়।
০৩ / ১১
হিন্দু শাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর নেপথ্যেও রয়েছে বেশ কিছু কারণ। এই যেমন জোড় সংখ্যাকে স্থিতিশীল বা স্থির শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।
০৪ / ১১
অন্যদিকে, বিজোড় সংখ্যাকে গতিশীল বা সক্রিয় শক্তির প্রতীক ধরা হয়। বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালালে তা চারপাশের পরিবেশে এক ধরনের স্পন্দন তৈরি করে বলে মনে করা হয়।
০৫ / ১১
এও মনে করা হয় এই বিশেষ 'স্পন্দন' নেতিবাচক শক্তি দূর করে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।
০৬ / ১১
দীপাবলির সময় পুরো বাড়িই আলোকিত করা জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হল কতগুলো প্রদীপ জ্বালান উচিত?
০৭ / ১১
বাস্তু বলছে, নয়টি প্রদীপ জ্বালান অত্যন্ত শুভ। নয় সংখ্যাটি মঙ্গল গ্রহ দ্বারা শাসিত এবং এটি ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক।
০৮ / ১১
তাই বাড়িতে ৯, ২৭ বা ১০৮টি প্রদীপ জ্বালালে তা বাস্তুমতে শুভ বলে গণ্য করা হয়।
০৯ / ১১
বিজোড় সংখ্যার প্রদীপ জ্বালানোর কথা বলা হলেও বাস্তু বলছে, একসঙ্গে চারটি প্রদীপ জ্বালানোও কিন্তু শুভ।
১০ / ১১
চার প্রদীপকে সাধারণত বিষ্ণুর চার বাহু বলেই গণ্য করা হয়। আলাদা আলাদা জায়গায় প্রদীপ জ্বালালে বিজোড় সংখ্যা, এক জায়গায় হলে চারটি, আর তাতেই সুখ সমৃদ্ধির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে বলেই বিশ্বাস।
১১ / ১১
চার প্রদীপকে সাধারণত বিষ্ণুর চার বাহু বলেই গণ্য করা হয়। আলাদা আলাদা জায়গায় প্রদীপ জ্বালালে বিজোড় সংখ্যা, এক জায়গায় হলে চারটি, আর তাতেই সুখ সমৃদ্ধির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে বলেই বিশ্বাস। এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।
