অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
রূপসার নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাইরুজ মাহমুদ নীদ ওরফে চৈতিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা প্ররোচনার দায়ে শিক্ষক এস এম মাহাবুবুর রহমানকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরাধ প্রমানিক না হওয়ায় এ মামলার অপর দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত এস এম মাহাবুবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি থানার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের আব্দুল জলিল মোল্লার ছেলে এবং নৈহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) খুলনা জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ রাখিবুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী আজমুন শিকদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য দেন। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মাহবুুবুর রহমানের স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা ও ওই বিদ্যাপীঠের সহকারী শিক্ষক কাকলি গাইন।
জানা গেছে, চৈতির মা নুরনাহার দেশের বাইরে থাকায় সে নৈহাটী গ্রামে মামা বাড়িতে থেকে নিকটস্থ নৈহাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে লেখাপড়া করতো। এমতাবস্থায় তাকে বাড়িতে গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এস এম মাহবুবুর রহমান। প্রাইভেট পড়ানোর এক পর্যায় শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক থেকে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। একপর্যায় ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি চৈতিকে জীবন সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান ওই শিক্ষক। পরে ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই চৈতি নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করে। এ ব্যাপারে তার মা নুরনাহার বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
খুলনা গেজেট/উউরা
