ঢামেক: দেশের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পুনর্গঠন এবং জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। গবেষণাকে শুধু ডিগ্রি বা পদোন্নতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের স্বাস্থ্যখাতের নীতি ও কর্মসূচি পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ২২সপ্তাহব্যাপী ‘গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্স’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোসাইটি অব মেডিসিন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের মেডিসিন ও সাব-স্পেশালিটি বিভাগের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগীকে সেবা দিতে হয়, যা অত্যন্ত ক্লান্তিকর। তবে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতার আলোকে সঠিক গবেষণা ডিজাইন করতে পারলে তা যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে। নিজের দীর্ঘ গবেষক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। অতীতে অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং সেরিব্রাল পলসিতে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে পরিচালিত কমিউনিটি ভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে হাজার হাজার শিশুর জীবনে আলো ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
গবেষকদের উদ্দেশে ডা. এমএ মুহিত বলেন, ‘শুধু বড় স্যাম্পল সাইজ বা অজস্র ভেরিয়েবল নিলেই ভালো গবেষণা হয় না। গবেষণার মূল প্রশ্ন এবং তা সমাধানের সুনির্দিষ্ট উপায় খুঁজে বের করতে হবে। গবেষণালব্ধ প্রমাণ বা এভিডেন্স নিয়ে নীতিনির্ধারক ও সরকারের সাথে কাজ করলে স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ এবং সেবার মান বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। চিকিৎসকদের গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মাজহারুল শাহীন-এর সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও সোসাইটি অব মেডিসিনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মনির-উজ-জামান,ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মাজহারুল শাহীন, ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।
