জাপানের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে এনএইচকে। অননুমোদিত প্রবেশজনিত কারণে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায়, চলতি ধারাবাহিকে ব্যক্তিগত তথ্য অপব্যবহারের ফলে সৃষ্ট ঝুঁকিসমূহের প্রতি নজর দেয়া হবে।
আপনার পরিচয়পত্র, যেমন: ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্টের ডিজিটাল ইমেজ যদি ফাঁস হয়ে যায়, সেই ক্ষেত্রে তৃতীয় কোনো পক্ষ আপনার তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণামূলকভাবে ক্রেডিট কার্ড ও ঋণ নিতে পারে কিংবা মোবাইল ফোনের চুক্তি করতে পারে। ফাঁস হওয়া তথ্য যদি অন্যান্য প্রমাণীকরণ তথ্যের সাথে মিলিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে আর্থিক ক্ষতি হওয়া অথবা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও সৃষ্টি হয়।
এ ধরনের ক্ষেত্রে, আপনি যদি কোনো ক্রেডিট এজেন্সিকে এই তথ্য ফাঁসের বিষয়ে জানান, তাহলে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার সময় আরও সতর্কতার সাথে পরিচয় নিশ্চিত করা হতে পারে, যা পরিচয় চুরির ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমাতে সাহায্য করবে।
জাপানের ক্রেডিট এজেন্সিগুলোর মধ্যে রয়েছে: জাপান ক্রেডিট ইনফরমেশন রেফারেন্স সেন্টার বা জেআইসিসি; ক্রেডিট ইনফরমেশন সেন্টার বা সিআইসি; এবং জাপানিজ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের পার্সোনাল ক্রেডিট ইনফরমেশন সেন্টার বা কেএসসি। এই তথ্য নিবন্ধন করার জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট ফি প্রদান করতে হবে এবং আপনি যখন নতুন ঋণ বা ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করবেন, তখন আপনাকে সম্ভবত স্বাভাবিকের চেয়ে আরও পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাইয়ের সম্মুখীন হতে হবে।
যদি আপনি জানতে পারেন যে আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে, তাহলে অবিলম্বে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করুন।
শুধুমাত্র ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ফাঁস হয়ে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাৎক্ষণিকভাবে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে অননুমোদিতভাবে টাকা তুলে নেওয়া হবে। তবে, যদি আপনার অনলাইন ব্যাংকিং আইডি বা পাসওয়ার্ডও ফাঁস হয়ে যায়, তাহলে আপনার আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি থাকতে পারে, সেই ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন।
এই তথ্যসমূহ ২০২৬ সালের ২৬শে অক্টোবর পর্যন্ত নেয়া।