জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সাত মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান ও মির্জা আজমসহ পাঁচ নেতা।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে প্রসিকিউশন সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়। তদন্ত প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই শেষে শিগগিরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, সাবেক কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
প্রসিকিউশন জানায়, দীর্ঘ তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা সাবেক সাত মন্ত্রী-এমপিসহ আওয়ামী লীগের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। প্রতিবেদনটি যাচাই-বাছাই করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আকারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।
তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা ও উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর আমির হোসেন আমু, শাজাহান খান, মির্জা আজম, ফারুক খান ও তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী প্রথমবারের মতো এ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হবেন।
অন্যদিকে, শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ডা. দীপু মনি ও আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।
