সংবাদদাতা: ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জ অংশের প্রায় ৫০ কিলোমিটারজুড়ে বেহাল দশা। সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
বিশেষ করে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন অংশে সড়কের অবস্থা বেশি খারাপ। শেরপুর থেকে আউশকান্দি, মিনাজপুর, জালালপুর, সৈয়দপুর, গোপলার বাজার, দেবপাড়া, ফুলতলী, পানিউমদা, বড়চর, বাহুবল ও মীরপুর এলাকার বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের কারণে যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। কোথাও কোথাও সড়কের পিচ উঠে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দেশের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথগুলোর একটি। এ পথে প্রতিদিন দূরপাল্লার বাস, মালবাহী ট্রাক, লরি, ব্যক্তিগত গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চালক ও যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে যানবাহনকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।
চালকরা জানান সড়কের খারাপ অবস্থার কারণে ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। যাত্রীরাও আতঙ্কে থাকেন। সব সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে তাকে গাড়ি চালাতে হয়। তারা বলেন, মালবোঝাই ট্রাক নিয়ে এই সড়কে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সড়কের গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে কিছু যানবাহন সড়কের পাশের অংশ দিয়ে চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এতে পথচারী, বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সড়কসংলগ্ন বাড়িঘরের বাসিন্দারাও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিভিন্ন সময়ে সড়কে সংস্কারকাজ করা হলেও তা বেশিদিন টিকছে না। কিছুদিনের মধ্যেই আবার পিচ উঠে গর্ত তৈরি হচ্ছে। ফলে একই স্থানে বারবার সংস্কার হলেও দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ সরকার বলেন, মহাসড়কের বর্তমান অবস্থা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংস্কারকাজে অনিয়মের বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয় বলেও জানান তিনি।
