হুইপ দুলু বলেন, বিগত সরকারের সীমাহীন লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভাতার আওতায় আনা
ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। সরকারকে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার সুযোগ দিতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে একসঙ্গে লড়াই করা বিরোধী দলগুলোর প্রতি সহযোগিতাও চেয়েছেন তিনি।
আজ রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ উন্মুক্ত গণতান্ত্রিক পরিষদ আয়োজিত ‘বর্তমান গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন হুইপ দুলু।
তিনি বলেন, বিগত প্রায় ২০ বছর দেশে গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনী ব্যবস্থা ছিল না। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল। ছাত্র-জনতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আন্দোলন, রক্ত ও দীর্ঘ ত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। মানুষ গণতন্ত্র ও স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছে।
হুইপ দুলু বলেন, বিগত সরকারের সীমাহীন লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সাধারণ মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ভাতার আওতায় আনা।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে হুইপ দুলু বলেন, তিনি যেন দেশে ফিরে আসেন। তার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের মানুষও তার অপেক্ষায় রয়েছে।
বিরোধী দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অর্জিত গণতন্ত্র যেন আবার বিপন্ন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তিকে কোনো সুযোগ না দিয়ে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের স্বার্থে সরকার ও বিরোধী দলনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মো. রমিজ উদ্দিন কাজী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোস্তফা কামাল মজুমদার ও জাতীয় সংসদ সদস্য শওকত আরা আক্তার উর্মি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
