আইন পেশার সনদ নিয়ে একই সঙ্গে চাকরি, ব্যবসা ও অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন নিষ্পত্তি না করার নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন।
ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে চিঠি দেন। আবেদনে বলা হয়, আইন পেশা একটি মহান ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এ পেশার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা সবার দায়িত্ব। আবেদনে অভিযোগ করা হয়, অনেক আইনজীবী আইন পেশার সনদ নেওয়ার পরও পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি ও অন্যান্য পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। এসব পেশার মধ্যে রয়েছে ঠিকাদারি, জনশক্তি রপ্তানি, গাড়ির শোরুম, পরিবহন ব্যবসা, ইট-বালু-সিমেন্টের ব্যবসা এবং মুঠোফোনের ফ্লেক্সিলোড ও বিকাশ এজেন্টের দোকান পরিচালনা। এছাড়া কেউ কেউ বিদেশে অবস্থান করে চাকরি করছেন।
আবেদনে আরো বলা হয়, কয়েকজন আইনজীবী আইন পেশার সনদ সমর্পণ না করেই সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, ওষুধের ফার্মেসি এবং মুঠোফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন বা খণ্ডকালীন চাকরি করছেন।
ফরহাদ উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, এসব কর্মকাণ্ড বার কাউন্সিলের আইন ও বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এর ফলে আইন পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন ও বিধি অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আবেদনে সাড়া না পেয়ে ১২ আগস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনগত নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের জবাব না পাওয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।
