সার্বিয়ার ছাত্র আন্দোলন: প্রভাবশালী নেতার পতন ঘটানোর পর এখন দেশ চালাতে পারবে?
অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, দুর্নীতি নির্মূল করতে আর জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সামাল দিতে পারবে তারা?
Published : 27 Oct 2026, 09:22 AM
Updated : 27 Oct 2026, 09:21 AM
সার্বিয়ার শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ আন্দোলন যা করে দেখিয়েছে তা অন্য ইউরোপীয় রাজধানীগুলোর আন্দোলনকারীরা শুধু স্বপ্নেই দেখতে পারে, তারা আলেকসান্দার ভুচিচের মতো একজন দীর্ঘকালীন প্রভাবশালী নেতাকে ক্ষমতাচ্যুত করেছে। কিন্তু নির্বাচনে জয় পাওয়ার পর তাদের সামনে এখন দেশ পরিচালনার কঠিন কাজ, যার কোনো অভিজ্ঞতা তাদের নেই, আবার তাদের মনোনীত প্রার্থীদেরও নেই।
রোববারের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভুচিচ পরাজয় স্বীকার করে নেওয়ার পর দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিজয় উদযাপন করেন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রায় দুই বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে।
কিন্তু এই আনন্দোৎসবের মাঝেই কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খেতেই থাকল। এই নেতৃত্বহীন আন্দোলনের মধ্য থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উঠে আসবেন কে? তাদের নীতিগুলো ঠিক কী হবে? কোনো রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই, এমন একদল ব্যক্তিদের একটি গোষ্ঠী কি ঐক্যবদ্ধ থেকে পারবে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে, দুর্নীতি নির্মূল করতে আর জটিল আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সামাল দিতে?
এই উত্তরগুলো নির্ধারণ করবে পশ্চিম বলকান অঞ্চলের বৃহত্তম অর্থনীতি সার্বিয়ার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। পাশাপাশি চীন, রাশিয়া ও তাদের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কও নির্ধারণ করবে।
সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে টেনিও গ্লোবাল রিসার্চ বলেছে, “শিক্ষার্থীদের এই জয় দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ, আইনের শাসন ও উন্নত জনসেবাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতিগত পরিবর্তনের সূচনা ঘটাতে পারে। কিন্তু সংস্কারের পথে আমলাতান্ত্রিক বাধা ও এই আন্দোলনের নেতৃত্বের শাসন পরিচালনার সীমিত অভিজ্ঞতা- এই বিষয়গুলো উত্তরণ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।”
আরও আসছে…
