হিন্দু শাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর নেপথ্যেও রয়েছে বেশ কিছু কারণ। এই যেমন জোড় সংখ্যাকে স্থিতিশীল বা স্থির শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:৪১
০১ / ১১
সামনেই কালীপুজো, আলোয় আলোয় ভরে উঠবে চারিদিক। প্রদীপ থেকে মোমবাতি কিছুই বাদ যাবে না। তবে জানেন কি প্রদীপ জ্বালানোরও রয়েছে কিছু নিয়ম।
০২ / ১১
বাস্তু বলছে, কালীপুজোয় নাকি বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানো হয়। কিন্তু কেন? তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কিছু কম নয়।
০৩ / ১১
হিন্দু শাস্ত্র ও সংখ্যাতত্ত্ব অনুযায়ী, বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর নেপথ্যেও রয়েছে বেশ কিছু কারণ। এই যেমন জোড় সংখ্যাকে স্থিতিশীল বা স্থির শক্তির প্রতীক মনে করা হয়।
০৪ / ১১
অন্যদিকে, বিজোড় সংখ্যাকে গতিশীল বা সক্রিয় শক্তির প্রতীক ধরা হয়। বিজোড় সংখ্যায় প্রদীপ জ্বালালে তা চারপাশের পরিবেশে এক ধরনের স্পন্দন তৈরি করে বলে মনে করা হয়।
০৫ / ১১
এও মনে করা হয় এই বিশেষ 'স্পন্দন' নেতিবাচক শক্তি দূর করে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।
০৬ / ১১
দীপাবলির সময় পুরো বাড়িই আলোকিত করা জরুরি। কিন্তু প্রশ্ন হল কতগুলো প্রদীপ জ্বালান উচিত?
০৭ / ১১
বাস্তু বলছে, নয়টি প্রদীপ জ্বালান অত্যন্ত শুভ। নয় সংখ্যাটি মঙ্গল গ্রহ দ্বারা শাসিত এবং এটি ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক।
০৮ / ১১
তাই বাড়িতে ৯, ২৭ বা ১০৮টি প্রদীপ জ্বালালে তা বাস্তুমতে শুভ বলে গণ্য করা হয়।
০৯ / ১১
বিজোড় সংখ্যার প্রদীপ জ্বালানোর কথা বলা হলেও বাস্তু বলছে, একসঙ্গে চারটি প্রদীপ জ্বালানোও কিন্তু শুভ।
১০ / ১১
চার প্রদীপকে সাধারণত বিষ্ণুর চার বাহু বলেই গণ্য করা হয়। আলাদা আলাদা জায়গায় প্রদীপ জ্বালালে বিজোড় সংখ্যা, এক জায়গায় হলে চারটি, আর তাতেই সুখ সমৃদ্ধির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে বলেই বিশ্বাস।
১১ / ১১
চার প্রদীপকে সাধারণত বিষ্ণুর চার বাহু বলেই গণ্য করা হয়। আলাদা আলাদা জায়গায় প্রদীপ জ্বালালে বিজোড় সংখ্যা, এক জায়গায় হলে চারটি, আর তাতেই সুখ সমৃদ্ধির প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে বলেই বিশ্বাস। এই প্রতিবেদনটি 'আনন্দ উৎসব' ফিচারের একটি অংশ।
পরবর্তী গ্যালারি
দীপাবলিতে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা? দেশের এই ১০ জায়গায় উৎসবের জৌলুস দেখলে চোখ ফেরানো দায়!
দীপাবলির ছুটিতে বেড়াতে যেতে চান, অথচ উৎসবের আমেজও উপভোগ করতে চান? ভারতের এই ১০টি জায়গায় আলোর উৎসব পালিত হয় নিজস্ব রীতিতে। ঘুরে আসতে পারেন এই ঠিকানাগুলি থেকে।
আনন্দ উৎসব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৮:১৫
০১ / ১০
অযোধ্যা:সরযূ নদীর তীরে লক্ষ লক্ষ প্রদীপের আলো, রামায়ণকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উৎসবের জাঁকজমক উপভোগ করতে ঘুরে আসুন রামচন্দ্রের জন্মভূমি অযোধ্যায়।
০২ / ১০
বারাণসী: গঙ্গার ঘাট, মন্দিরের শঙ্খধ্বনি এবং আলোর সাজে উৎসবের আবহ উপভোগ করুন বারাণসীতে। তবে দেব দীপাবলির জন্য এই শহর বিশেষ জনপ্রিয়।
০৩ / ১০
জয়পুর:দীপাবলিতে আলোকসজ্জায় ঝলমল করে ওঠে গোলাপি শহরের বাজার, ঐতিহাসিক বাড়ি ও রাস্তাঘাট। রাজস্থানি ঐতিহ্যের সঙ্গে উৎসবের মেলবন্ধন দেখতে ঘুরে আসুন জয়পুরে।
০৪ / ১০
অমৃতসর:দীপাবলিতে স্বর্ণমন্দিরের আলোকসজ্জা ও সরোবরের জলে তার প্রতিফলন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য তৈরি করে। এই সময়ে পালিত হয় শিখদের 'ছোড় দিবস'ও।
০৫ / ১০
উদয়পুর: হ্রদ, আলোকসজ্জায় ঝলমলে প্রাসাদ, পুরনো শহরের সাজসজ্জা এবং রাজস্থানি আতিথেয়তা উপভোগ করতে দীপাবলিতে ঘুরে আসতে পারেন উদয়পুরে।
০৬ / ১০
গোয়া:সমুদ্রসৈকত, আলোর সাজ এবং নরক চতুর্দশীর উদ্যাপন—সব মিলিয়ে দীপাবলির সময়ে গোয়া হয়ে ওঠে আকর্ষণীয় ভ্রমণস্থল।
০৭ / ১০
মাইসুরু:দক্ষিণ ভারতের দীপাবলির রীতি, ঐতিহাসিক প্রাসাদের আলোকসজ্জা এবং স্থানীয় উৎসবের আবহ অনুভব করতে ঘুরে আসুন মাইসুরুতে।
০৮ / ১০
মথুরা ও বৃন্দাবন: মন্দিরের সাজসজ্জা, দীপদান এবং গোবর্ধন পুজোর আবহ উপভোগ করতে দীপাবলির ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন কৃষ্ণভক্তির দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র মথুরা ও বৃন্দাবনে।
০৯ / ১০
অহমেদাবাদ: গুজরাটের ঐতিহ্যবাহী বাড়ির সাজ, রঙ্গোলি, প্রদীপের আলো এবং উৎসবের পরিবেশ দেখতে দীপাবলিতে বেড়িয়ে আসুন আহমেদাবাদে।
১০ / ১০
পুনে: মরাঠি সংস্কৃতি ও দীপাবলির নিজস্ব রীতিনীতি কাছ থেকে জানতে এবং উৎসবের আবহ উপভোগ করতে ঘুরে আসতে পারেন পুনে থেকে। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
